Type Here to Get Search Results !

West Bengal Class 9 Life Science Suggestion 2023 | নবম শ্রেণীর জীবন বিজ্ঞান সাজেশন ২০২৩ | তৃতীয় অধ্যায় | জৈবনিক প্রক্রিয়া

তৃতীয় অধ্যায়

জৈবনিক প্রক্রিয়া

West Bengal Class 9 Life Science Suggestion 2023 | নবম শ্রেণীর জীবন বিজ্ঞান সাজেশন ২০২৩ | তৃতীয় অধ্যায় | জৈবনিক প্রক্রিয়া
West Bengal Class 9 Life Science Suggestion 2023 | নবম শ্রেণীর জীবন বিজ্ঞান সাজেশন ২০২৩ | তৃতীয় অধ্যায় | জৈবনিক প্রক্রিয়া


(১) অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলির উত্তর দাওঃ-


১.১ কোন্‌ জৈবনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সৌরশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?

উত্তরঃ- সালোকসংশ্লেষ


১.২ কোন্‌ উদ্ভিদের মূলে সালোকসংশ্লেষ হয়?

উত্তরঃ- গুলঞ্চের আত্তীকরণ মূল


১.৩ সালোকসংশ্লেষে সাহায্যকারী অঙ্গানু কোন্‌টি?

উত্তরঃ- ক্লোরোপ্লাস্ট


১.৪ ক্লোরোফিল সূর্যালোকের কোন্‌ কণা শোষণ করে?

উত্তরঃ- ফোটন কণা


১.৫ সালোকসংশ্লেষে প্রয়োজনীয় কাঁচামালগুলি কি কি?

উত্তরঃ- জল ও কার্বন-ডাই-অক্সাইড


১.৬ সালোকসংশ্লেষে আলোক দশা ও অন্ধকার দশা কোথায় সম্পন্ন হয়?

উত্তরঃ- আলোক দশা ক্লোরোপ্লাস্টের গ্রানায় এবং অন্ধকার দশা ক্লোরোপ্লাস্টের স্ট্রোমায়


১.৭ নিচে লেখা তিনটি একটি বিষয়ের অন্তর্গতঃ-

      জল, ক্লোরোফিল, আলোকদশা, সূর্যালোক

উত্তরঃ- আলোকদশা


১.৮ প্রথম জোড়টি দেখে দ্বিতীয় জোড়টির শূন্যস্থানে উপযুক্ত শব্দ বসাওঃ-

     শ্বসন : অপচিতি বিপাক :: সালোকসংশ্লেষ : _______।

উত্তরঃ- উপচিতি বিপাক


১.৯ সত্য অথবা মিথ্যা লেখঃ-

     ইউগ্লিনা সালোকসংশ্লেষে সক্ষম প্রাণী।

উত্তরঃ- সত্য


১.১০ শূন্যস্থান পূরণ করোঃ-

     _______ অনুকে এনার্জি কারেন্সি বলে।

উত্তরঃ- ATP


১.১১ পুরো কথা লেখোঃ-

ADP : অ্যাডিনোসিন ডাই ফসফেট

ATP : অ্যাডিনোসিন ট্রাই ফসফেট

NADP : নিকোটিনামাইড এডিনোসিন ডাই নিউক্লিওটাইড ফসফেট

RuBP : রাইবিউলোজ বিস ফসফেট

PGA : ফসফোগ্লিসারিক অ্যাসিড

TCA : ট্রাই-কার্বক্সিলিক অ্যাসিড

CSF : সেরিব্রো স্পাইনাল ফ্লুইড


১.১২ অবাত ও সবাত শ্বসনের সাধারণ পর্যায়টি কি?

উত্তরঃ- গ্লাইকোলাইসিস


১.১৩ কোন্‌ ছত্রাকে কোহল সন্ধান ঘটে?

উত্তরঃ- ইস্ট


১.১৪ কোন্‌ মাছের অতিরিক্ত শ্বাসযন্ত্র পটকা?

উত্তরঃ- পলিপটেরাস


১.১৫ ক্রেবস চক্র কোথায় ঘোটে?

উত্তরঃ- মাইটোকন্ড্রিয়ায়


১.১৬ সত্য বা মিথ্যা লেখঃ

     যে রঞ্জক মানব দেহে অক্সিজেন পরিবহন করে সেটি হল হিমোগ্লোবিন।

উত্তরঃ- সত্য


১.১৭ শূন্যস্থান পূরণ করোঃ

     ফুসফুসের আবরণীকে _______ বলে।

উত্তরঃ- প্লুরা


১.১৮ দুটি মৃতজীবী উদ্ভিদের উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ- মিউকর, অ্যাগারিকাস


১.১৯ কোন্‌ উদ্ভিদের পরজীবী পুষ্টি দেখা যায়?

উত্তরঃ- স্বর্ণলতা


১.২০ দুটি পতঙ্গভুক উদ্ভিদের উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ- সূর্যশিশির, কলসপত্রী


১.২০ কোন্‌ উদ্ভিদের মিথোজীবী পুষ্টি দেখা যায়।

উত্তরঃ- লাইকেন


১.২১ যে বিপাকে জীবদেহে শুষ্ক ওজন বাড়ে তাকে কি বলে?

উত্তরঃ- উপচিতি বিপাক


১.২২ প্রথম জোড়টি দেখে দ্বিতীয় জোড়টির শূন্যস্থানে উপযুক্ত শব্দ বসাওঃ

     পুষ্টি : উপচিতিমূলক বিপাক :: শ্বসন : _________।

উত্তরঃ- অপচিতিমূলক বিপাক


১.২৩ সত্য বা মিথ্যা লেখঃ

     পিত্তরসের ফ্যাট পরিপাককারী উৎসেচক থাকে

উত্তরঃ- সত্য


১.২৪ শূন্যস্থান পূরণ করোঃ

     পাকস্থলী থেকে ______ নামক হরমোন ক্ষরিত হয়।

উত্তরঃ- গ্যাস্ট্রিন


১.২৫ একজন প্রাপ্তবয়স্ক লোকের হৃদপিণ্ড মিনিটে কতবার স্পন্দিত হয়?

উত্তরঃ- গড়ে বাহাত্তর বার


১.২৬ অনুচক্রিকার গড় আয়ু কত?

উত্তরঃ- 8 থেকে 9 দিন


১.২৭ কোন্‌ বিভাগের রক্তকে সার্বিক দাতা বলা হয়?

উত্তরঃ- O নেগেটিভ


১.২৮ লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ু কত?

উত্তরঃ- ১২০ দিন


১.২৯ রক্তের রং লাল কেন?

উত্তরঃ- হিমোগ্লোবিনের উপস্থিতির জন্য


১.৩০ প্রথম জোড়টি দেখে দ্বিতীয় জোড়টির শূন্যস্থানে উপযুক্ত শব্দ বসাওঃ

     গ্রানুলোসাইট : বেসোফিল :: অ্যাগ্রানুলোসাইড : _______।

উত্তরঃ- মনোসাইট


১.৩১ সত্য বা মিথ্যা লেখঃ

      রক্তপাতের পর রক্ত জমাট বাঁধে 3 থেকে 7 মিনিট সময় লাগে।

উত্তরঃ- সত্য


১.৩২ শূন্যস্থান পূরণ করোঃ

      আমাদের সবচেয়ে বড় লসিকা গ্রন্থি হল _________।

উত্তরঃ- প্লিহা


১.৩৩ শূন্যস্থান পূরণ করোঃ

     _______ বিভাগের রক্তকে সার্বিক গ্রহীতা বলে।

উত্তরঃ- AB


১.৩৪ মুক্ত সংবহন বিশিষ্ট একটি প্রাণীর উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ- আরশোলা


১.৩৫ মানুষের বৃক্কের গঠন গত ও কার্যগত এককের নাম কি?

উত্তরঃ- নেফ্রন


১.৩৬ একটি উদ্ভিদের নামকর যাতে তরুক্ষীর পাওয়া যায়?

উত্তরঃ- বট


১.৩৭ বৃক্ষ থেকে মূত্র কিসের মাধ্যমে মূত্রাশয়ে আসে?

উত্তরঃ- গবিনী


১.৩৮ সবুজ গ্রন্থি কোন্‌ প্রাণীর রেচন অঙ্গ?

উত্তরঃ- চিংড়ি


১.৩৯ কেঁচোর রেচন অঙ্গের নাম কি?

উত্তরঃ- নেফ্রিডিয়া


১.৪০ প্রাণীদেহে কোন্‌ অঙ্গে গ্লোমেরুলাস থাকে?

উত্তরঃ- বৃক্কে


১.৪১ সত্য অথবা মিথ্যা লেখঃ

     হেনলির লুপের আকৃতি ইংরেজি U অক্ষরের মতো

উত্তরঃ- সত্য


১.৪২ প্রথম জোড়টি দেখে দ্বিতীয় জোড়টির শূন্যস্থানে উপযুক্ত শব্দ বসাওঃ

     নাইট্রোজেন বিহীন রেচন পদার্থ : তরুক্ষীর :: নাইট্রোজেন যুক্ত রেচন পদার্থ : ________।

উত্তরঃ- কুইনাইন


১.৪৩ সত্য অথবা মিথ্যা লেখঃ

      ফিতা কৃমির রেচন অঙ্গ হল ফ্লেম কোষ।

উত্তরঃ- সত্য


১.৪৪ শূন্যস্থান পূরণ করোঃ

     প্রতি বৃক্কের প্রায় ______ লক্ষ নেফ্রন থাকে।

উত্তরঃ- 10

(২) সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলির উত্তর দাওঃ-

২.১ সালোকসংশ্লেষ বলতে কি বোঝ?

উত্তরঃ- যে শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় ক্লোরোফিল যুক্ত কষে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে এবং ক্লোরোফিলের সহায়তায় পরিবেশ থেকে শোষিত জল ও কার্বন ডাই অক্সাইড এর রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সরল শর্করা সংশ্লেষিত হয় এবং উৎপন্ন খাদ্যে সৌর শক্তির আবদ্ধকরন ঘটে এবং উপজাত বস্তু রূপে জল ও অক্সিজেন উৎপন্ন হয় তাকে সালোকসংশ্লেষ বা ফটোসিন্থেসিস বলে।


২.২ আলোক নির্ভর দশা ও আলোক নিরপেক্ষ দশা বলতে কী বোঝো?

উত্তরঃ-

আলোক নির্ভর দশাঃ-

   সালোকসংশ্লেষের যে পর্যায়টি সূর্যালোকের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয় তাকে আলোক নির্ভর দশা বলে। এটি সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ক্লোরোপ্লাস্টের গ্রামের মধ্যে সম্পন্ন হয়।

আলোক নিরপেক্ষ দশাঃ-

   সালোকসংশ্লেষে যে পর্যায়টিতে সূর্যালোকের কোন প্রয়োজন হয়না তাকে আলোক নিরপেক্ষ দশা বলে। এটি সূর্যালোকের অনুপস্থিতিতে ক্লোরোপ্লাস্ট এর স্ট্রোমা অঞ্চলে সম্পন্ন হয়।


২.৩ ফটোলাইসিস বা আলোক বিশ্লেষণ বা হিল বিক্রিয়া বলতে কী বোঝো?

উত্তরঃ- সক্রিয় ক্লোরোফিল কোষস্থ জলকে হাইড্রোজেন এবং হাইড্রোক্সিল আয়নের বিশ্লিষ্ট করে। সূর্যালোকের উপস্থিতিতে জলের এইরূপ বিশ্লিষ্ট হওয়াকে জলের আলোক বিশ্লেষণ বা ফটোলাইসিস বলে। বিজ্ঞানী রবিন হিল এটি আবিষ্কার করেন বলে তার নাম অনুসারে একে হিল বিক্রিয়াও বলা হয়।


২.৪ ফটোফসফোরাইলেশন বলতে কি বোঝো?

উত্তরঃ- সালোকসংশ্লেষের আলোক দশায় সৌর শক্তির প্রভাবে অ্যাডিনোসিন ডাই ফসফেট থেকে অ্যাডিনোসিন ট্রাই ফসফেট এর সংশ্লেষের ঘটনাকে ফটোফসফোরাইলেশন বলে।


২.৫ ATP কে এনার্জি কারেন্সি বলা হয় কেন?

উত্তরঃ- কারণ ATP এর মধ্যে শক্তি সঞ্চিত থাকে, যা জীব কোষে প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করে। তাই ATP কে এনার্জি কারেন্সি বলা হয়।


২.৬ কেলভিন চক্র কাকে বলে?

উত্তরঃ- সালোকসংশ্লেষের আলোক নিরপেক্ষ দশা বা অন্ধকার দশায় যে পদ্ধতিতে ফসফোগ্লিসেরালডিহাইড থেকে রাইবিউলোজ বিস্ ফসফেট পুনঃ সংশ্লেষিত হয়, এই পর্যায়টি প্রথম বিজ্ঞানী কেলভিন লক্ষ্য করেছে বলে তার নাম অনুসারে একে কেলভিন চক্র বলা হয়।


২.৭ রসের উৎস্রোত বলতে কী বোঝো?

উত্তরঃ- যে প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ এর দ্বারা শোষিত জল ও জলে দ্রবীভূত লবণ শোষণ অঞ্চল থেকে অভিকর্ষের বিরুদ্ধে কান্ডের জাইলেম বাহিকা মাধ্যমে উর্ধ্বমুখে বাহিত হয়ে পাতায় পৌঁছায় তাকে রসের উৎস্রোত বলে।


২.৮ বাষ্পমোচনকে ‘প্রয়োজনীয় ক্ষতি’ বলা হয় কেন?

উত্তরঃ- উদ্ভিদের বিভিন্ন বিপাকীয় পদ্ধতির মতো প্রস্বেদনও উদ্ভিদদেহে বিশেষ এক জীবনরক্ষা অবশ্যম্ভাবী ঘটনা। প্রস্বেদন না ঘটলে যেমন উদ্ভিদে সঠিকভাবে রসস্ফীতি অবস্থা, মৌলিক পদার্থের চলাচল, খাদ্যবস্তুর চলাচল করবে না, তেমনি অধিক প্রস্বেদনেও বিপাকীয় কার্য ও বৃদ্ধি ব্যাহত হবে। এই কারণে বাষ্পমোচন কে প্রয়োজনীয় ক্ষতি বলা হয়।


২.৯ বাষ্পমোচন ও বাষ্পীভবনের তিনটি প্রধান পার্থক্য লেখ?

উত্তরঃ- বাষ্পমোচন ও বাষ্পীভবনের প্রধান তিনটি পার্থক্য হল -

প্রথমত, বাষ্পমোচন একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া আর বাষ্পীভবন একটি ভৌত প্রক্রিয়া।

দ্বিতীয়ত, বাষ্পমোচন সাধারণত দিনের বেলায় ঘটে কিন্তু বাস্পীভবন দিনরাত্রি সর্বদা ঘটে।

তৃতীয়ত, বাষ্পমোচন সাধারণত পত্ররন্ধ্র ও লেন্টিসেল এর মধ্যে হয় আর বাষ্পীভবন যে কোন উন্মুক্ত স্থান থেকে হতে পারে।


২.১০ বাষ্পমোচন টান বা প্রস্বেদন টান বলতে কি বোঝো?

উত্তরঃ- বাষ্পমোচন এর ফলে পাতার মেসোফিল কলায় যে ব্যাপক চাপের ঘাটতি দেখা দেয় তা জাইলেম বাহিকা এই বিশেষ চোষক চাপ সৃষ্টি করে মূল থেকে খনিজ লবণ মিশ্রিত জলকে ঊর্ধ্বমুখে পরিবাহিত করে তাকে বাষ্পমোচন টান বা প্রস্বেদন টান বলে।


২.১১ শ্বসন ও দহনের তিনটি প্রধান পার্থক্য লেখ।

উত্তরঃ- শ্বসন ও দহনের প্রধান তিনটি পার্থক্য হল -

প্রথমত, শ্বসন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া কিন্তু দহন একটি ভৌত রাসায়নিক প্রক্রিয়া।

দ্বিতীয়ত, শ্বসন সাধারণত সজীব কোষে সংঘটিত হয় তবে দহন যেকোনো দাহ্য জৈব ও অজৈব বস্তু হতে পারে।

তৃতীয়ত, শ্বসনে উৎসেচক অবশ্যই প্রয়োজন আর দহনে উৎসেচক প্রয়োজন হয় না।


২.১২ সন্ধান কাকে বলে?

উত্তরঃ- যে শ্বসন পদ্ধতিতে জীব কোষে অক্সিজেন ছাড়াই কয়েক প্রকার ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক এর দহন নিঃসৃত উৎসেচক এর প্রভাবে শ্বসন বস্তুর আংশিক  জারনে বিভিন্ন প্রকার জৈব যৌগ উৎপন্ন হয় এবং খাদ্য শক্তির উচ্চশক্তিসম্পন্ন ফসফেট যোগ্যরূপে আংশিক মুক্তি ঘটে, তাকে সন্ধান বলে।


২.১৩ সবাত শ্বসন ও অবাত শ্বসনের তিনটি পার্থক্য লেখ।

উত্তরঃ- সবাত শ্বসন ও অবাত শ্বসন এর প্রধান তিনটি পার্থক্য হলো -

প্রথমত, সবাত শ্বসনে শ্বসন বস্তুর সম্পূর্ণ জারণ ঘটে কিন্তু অবাত শ্বসনে শ্বসন বস্তুর পুরোপুরি জারন ঘটে না।

দ্বিতীয়ত, সবাত শ্বসন সাধারণত সাইটোপ্লাজম ও মাইটোকন্ড্রিয়া ঘটে তবে অবাত শ্বসন শুধুমাত্র সাইটোপ্লাজমেই ঘটে।

তৃতীয়ত, সবাত শ্বসনের ফলে উৎপন্ন হয় জল এবং কার্বন ডাই অক্সাইড কিন্তু অবাত শ্বসনের ফলে কার্বন ডাই অক্সাইডের সঙ্গে অজৈব অক্সাইডও উৎপন্ন হয়।

২.১৪ EMP পথ কি?

উত্তরঃ- গ্লাইকোলাইসিস পদ্ধতির ধাপ গুলি বিজ্ঞানী এম্বডেন, মেয়ারহফ্ এবং পারনাস আবিষ্কার করেন। তাদের নাম অনুসারে গ্লাইকোলাইসিসকে তাই EMP পথ বলে।


২.১৫ ক্রেবস চক্রকে TCA চক্র বলা হয় কেন?

উত্তরঃ- ক্রেবস চক্রে উৎপাদিত বিভিন্ন জৈব এসিড গুলির মধ্যে প্রথম উৎপাদিত দ্রব্য সাইট্রিক অ্যাসিড হওয়াই, এই চক্রকে সাইট্রিক অ্যাসিড চক্র বলে। সাইট্রিক এসিড এ তিনটি কার্বক্সিলিক বর্গ থাকাই একে ট্রাই কার্বক্সিলিক অ্যাসিড চক্র বা TCA চক্র বলে।


২.১৬ স্বভোজী ও পরভোজী পুষ্টির দুটি পার্থক্য লেখ।

উত্তরঃ- স্বভোজী ও পরভোজী পুষ্টির প্রধান দুটি পার্থক্য হলো

প্রথমত, স্বভোজী পুষ্টিতে নিজের দেহে খাদ্য সংশ্লেষিত হয়ে পুষ্টি সম্পন্ন হয় আর পরভোজী পুষ্টিতে খাদ্য সংশ্লেষিত না হওয়ায় পুষ্টির জন্য স্বভোজীদের উপর নির্ভরশীল হতে হয়।

দ্বিতীয়ত, স্বভোজী পুষ্টিতে সাধারনত তরল ও গ্যাসীয় উপাদান সংগৃহীত হয় আর পরভোজী পুষ্টিতে কঠিন তরল ও জটিল খাদ্য উপাদান গৃহীত হয়।


২.১৭ ব্যাপন ও অভিস্রবণ এর তিনটি প্রধান পার্থক্য লেখ।

উত্তরঃ- ব্যাপন ও অভিস্রবণ এর প্রধান তিনটি পার্থক্য হলো -

প্রথমত, ব্যাপনে অর্ধভেদ্য পর্দার প্রয়োজন নেই কিন্তু অভিস্রবণে অর্ধভেদ্য পর্দার প্রয়োজন আছে।

দ্বিতীয়ত, ব্যাপন বিষম প্রকৃতির মিশরেও ঘটতে পারে কিন্তু অভিস্রবণে কেবল সমপ্রকৃতির দ্রবণের মধ্যেই  ঘটতে পারে।

তৃতীয়ত, ব্যাপনে ব্যাপনকারী পদার্থের অণুগুলো বেশি ঘনত্ব যুক্ত স্থান থেকে কম ঘনত্বের দিকে ছড়িয়ে পড়ে আর অভিস্রবণে দ্রাবকের অনুগুলি কম ঘনত্ব যুক্ত দ্রবন থেকে বেশি ঘনত্বের দ্রবণের দিকে ছড়িয়ে পড়ে।


২.১৮ শ্বসন কাকে বলে?

উত্তরঃ- যে জৈব-রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় কোষস্থ খাদ্য জারিত হয়ে খাদ্যস্থ স্থৈতিক শক্তির মুক্তি ঘটে তাকে শোষণ বলে।


২.১৯ অতিরিক্ত শ্বাসযন্ত্র বলতে কি বোঝো?

উত্তরঃ- ফুলকা ছাড়া কতিপয় জিওল মাছের দেহে অতিরিক্ত শ্বাসযন্ত্র দেখা যায় যেগুলির মাধ্যমে মাছেরা জলের বাইরেও নিঃশ্বাস প্রশ্বাস চালাতে পারে। যেমন কই শিঙি ও মাগুর ইত্যাদি।


২.২০ সুষম খাদ্য বলতে কী বোঝো?

উত্তরঃ- কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট, খনিজ লবণ, ভিটামিন ও জল - এই ছয়টি উপাদান নির্দিষ্ট আনুপাতিক মিশ্রণে প্রস্তুত যে খাদ্য থেকে শরীরের পুষ্টি সাধন, স্বাভাবিক বৃদ্ধি, কর্ম শক্তি উৎপাদন, দৈহিক ক্ষতিপূরণ ইত্যাদি জন্য উপযুক্ত পরিমাণে ক্যালোরি পাওয়া যায় তাকে সুষম খাদ্য বলা হয়।


২.২১ মৌল বিপাকীয় হার বা BMR কাকে বলে?

উত্তরঃ- একজন সুস্থ স্বাভাবিক ব্যক্তির খাদ্য গ্রহণের 12 থেকে 18 ঘণ্টা পরে সম্পূর্ণ দৈহিক ও মানসিক বিশ্রামরত এবং সজাগ অবস্থায়, 25 ডিগ্রী সেলসিয়াস উষ্ণতায় প্রতি বর্গমিটার দেহতল থেকে প্রতি ঘন্টায় যে পরিমাণ তাপশক্তি নির্গত হয়, তাকে ওই ব্যক্তির মৌল বিপাকীয় হার বা BMR বলে।


২.২২ ধমনী ও শিরার তিনটি প্রধান পার্থক্য লেখ।

উত্তরঃ- ধমনী ও শিরার প্রধান তিনটি পার্থক্য হল -

প্রথমত, ধমনীর উৎস স্থল হৃদপিণ্ড এবং মিলনস্থল জালক আর শিরার উৎসস্থল জালক এবং মিলনস্থল হৃৎপিণ্ড।

দ্বিতীয়ত, ধমনীর প্রাচীর পুরু এবং গহবর ছোট কিন্তু শিরার প্রাচীর পাতলা এবং গহবর বড়ো।

তৃতীয়ত, ধমনীর মাধ্যমে বিশুদ্ধ রক্ত হৃদপিণ্ড থেকে সারা দেহে ছড়িয়ে পড়ে আর শিরার মাধ্যমে দূষিত রক্ত সারা দেহ থেকে হৃদপিন্ডে ফিরে আসে।


২.২৩ সার্বিক দাতা ও সার্বিক গ্রহীতা বলতে কী বোঝো?

উত্তরঃ- যেসব ব্যক্তির রক্তের বিভাগ ORhD- নেগেটিভ, তারা সব বিভাগের রক্তদান করতে পারে, তাই এদের সার্বিক দাতা বলা হয়।

    যেসব ব্যক্তির রক্তের বিভাগ ABRhD+ পজিটিভ, তারা সব বিভাগের কাছ থেকে রক্ত গ্রহণ করতে পারে, তাই এদের সার্বিক গ্রহীতা বলা হয়।


২.২৪ Rh এর গুরুত্ব লেখো।

উত্তরঃ- ধনাত্মক Rh কে কোন ঋণাত্মক Rh সম্পন্ন রোগীর দেহে প্রবেশ করালে প্রায় 12 দিনের মাথায় রোগীর প্লাজমায় Rh বিরোধী পদার্থের আবির্ভাব ঘটে। দ্বিতীয় বার ওই রোগীর দেহে ধনাত্মক Rh যুক্ত লোহিত কণিকা প্রবেশ করালে লোহিত কণিকাগুলো পুঞ্জীভূত হয়ে জমাট বেঁধে যায়। ফলস্বরূপ রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই রক্ত সঞ্চালনের পূর্বে Rh ফ্যাক্টরের সঠিক অস্তিত্ব জেনে নেওয়া প্রয়োজন।


২.২৫ ক্রস মেচিং বলতে কী বোঝো?

উত্তরঃ- রক্ত সঞ্চালনের পূর্বে দাতা ও গ্রহীতা রক্ত সমঞ্জস্যপূর্ণ কিনা তা নির্ণয় করাকেই ক্রস ম্যাচিং বলা হয়।


২.২৬ 'সব রেচন পদার্থ বর্জ্য পদার্থ, কিন্তু সব বর্জ্য পদার্থ রেচন পদার্থ নয়' - ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ- যেসব বর্জ্য পদার্থ বিপাক জাত এবং ক্ষতিকারক তাদের রেচন পদার্থ বলা হয়। যেমন মল বিপাকজাত বর্জ্য পদার্থ নয়। তাই মলকে বর্জ্য পদার্থ বলা গেলেও রেচন পদার্থ বলা যায় না। কিন্তু বিপাকের ফলে সৃষ্ট হওয়াই মূত্রকে রেচন পদার্থ বলা হয় এবং একই সঙ্গে তা বর্জ্য পদার্থ বটে। সুতরাং সব রেচন পদার্থ বর্জ্য পদার্থ কিন্তু সব বর্জ্য পদার্থ রেচন পদার্থ নয়।


২.২৭ উদ্ভিদের রেচন পদার্থের শ্রেণীবিভাগ গুলি কি কি?

উত্তরঃ- উদ্ভিদের রেচন পদার্থের শ্রেণীবিভাগ প্রধানত তিনটি। যথা (এক) পত্র মোচন, (দুই) বাকল মোচন ও (তিন) ফল মোচন।


২.২৮ রজন কি?

উত্তরঃ- রজন জলে অদ্রাব্য হালকা হলুদ রঙের সুগন্ধি যুক্ত রেচন পদার্থ। এটি সাধারণত শাল গাছের ছালে ও পাইন গাছের কান্ডে দেখা যায়। কঠিন রজন বা গালা কাঠের পালিশে ব্যবহৃত হয় তাছাড়া  ধুনা পূজা-পার্বণে ব্যবহৃত হয়।


২.২৯ তরুক্ষীর কি?

উত্তরঃ- তরুক্ষীর এক প্রকারের সাদা রঙের জলের মত তরল পদার্থ। এটি সাধারনত বট, আকন্দ, পেঁপে, রাবার, কাঁঠাল প্রভৃতি গাছের আঠা থেকে উৎপন্ন হয়। পেঁপে গাছের তরুক্ষীর প্যাপাইন নামক পদার্থ প্রোটিন পরিপাকে সাহায্য করে।

(৩) রচনাধর্মী প্রশ্নগুলির উত্তর দাওঃ-

৩.১ সালোকসংশ্লেষের উপাদান হিসেবে কার্বন-ডাই-অক্সাইড, জল ও সূর্যালোকের ভূমিকা আলোচনা করো।

উত্তরঃ- সালোকসংশ্লেষের প্রধান উপাদান গুলির ভূমিকা হল -

কার্বন ডাই অক্সাইডঃ-

   সালোকসংশ্লেষে কার্বন-ডাই-অক্সাইড সাধারণত কার্বন এর উৎস রূপে কাজ করে, অক্সিজেনের উৎস রূপে কাজ করে এবং জৈব কাঠামো গঠনে সাহায্য করে।

জলঃ-

   সালোকসংশ্লেষে জলের ভূমিকা হল গ্লুকোজ অনুর হাইড্রোজেন সরবরাহ করে, আলোক দশায় উত্তেজিত ক্লোরোফিলের ইলেকট্রনের ঘাটতি পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় ইলেকট্রন সংগ্রহ করে আর সালোকসংশ্লেষের উপজাত পদার্থ অক্সিজেনের উৎস রূপে কাজ করে।

সূর্যালোকঃ-

   সালোকসংশ্লেষে সূর্যালোকের ভূমিকা গুলি হল সূর্যালোকের ফোটন কণা উদ্ভিদের সবুজ রঙ্গক ক্লোরোফিল কে সক্রিয় হতে সাহায্য করে, সূর্যালোক উদ্ভিদের কোষের ভিতরে থাকা ADP কে অজৈব ফসফেট এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে উচ্চশক্তিসম্পন্ন ATP তে পরিবর্তন করতে সাহায্য করে আর উৎপন্ন গ্লুকোজ জাতীয় খাদ্যে সৌরশক্তি স্থিতি শক্তি রূপে সঞ্চিত হয়।


৩.২ বাষ্পমোচন বলতে কী বোঝো? রসের উৎস্রোত সম্পর্কিত ডিক্সন ও জলির মতবাদটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ- বিজ্ঞানী ডিক্সন ও জলি বাষ্পমোচন এবং জলের সমসংযোগ বল জনিত মতবাদের প্রবক্তা। এই মতবাদটি প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভরশীল। যেমন জলের তীব্র সমসংযগজনিত বল, জাইলেম বাহিকা মধ্যে জল স্তম্ভের অবিচ্ছিন্নতা এবং বাষ্পমোচন বা প্রস্বেদন টান।

   বিজ্ঞানী ডিক্সন এবং জলি সমসংযোগ ও অসম সংযোগ মতবাদ এর মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেন যে কিভাবে জাইলেম বাহিকা মধ্যে জলস্তম্ভটি অবিচ্ছিন্ন থাকে।

   সদৃশ্য অনুগুলির পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার ক্ষমতাকে সমসংযোগ বলে। অপরদিকে ভিন্ন রাসায়নিক যৌগগুলির মধ্যে যে আকর্ষণ বল দেখা যায় তাকে অসমসংযোগ বলে।

   বিজ্ঞানী ডিক্সন ও জোলির মতে জাইলেম বাহিকার মধ্য দিয়ে জল ঊর্ধ্বমুখে পরিবাহিত হওয়ার সময় জলের অনু গুলি সমসংযোগ ধর্মের ফলে পরস্পরের মধ্যে দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত থাকে এবং অপরদিকে জাইলেম বাহিকা কোষ প্রাচীরে লিগনিন বা সেলুলোজ জাতীয় যৌগের সাথে জলের অনু অসমসংযোগ ধর্মের ফলে যুক্ত হয়ে থাকে। দেখা গেছে যে জাইলেম বাহিকা মধ্যে জলের কনা গুলির মধ্যেকার এই সমসংযোগ বলের মান অধিকাংশ উদ্ভিদের 350 বায়ুমণ্ডলীয় চাপের সমান পর্যন্ত হতে পারে। এই চাপ জাইলেম বাহিকা দীর্ঘ জলস্তম্ভ কে ধরে রাখতে সাহায্য করে।

৩.৩ রেখাচিত্রের মাধ্যমে গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়াটি লেখো।

উত্তরঃ- শ্বসনের প্রথম পর্যায়ে যে প্রক্রিয়ায় কোশের সাইটোপ্লাজমায় গ্লুকোজ অণু বিভিন্ন উৎসেচকের প্রভাবে আংশিকভাবে জারিত হয়ে 2 অনু পাইরুভিক অ্যাসিড এবং 2 অনু ATP উৎপন্ন করে তাকে গ্লাইকোলাইসিস বলে।

     গ্লাইকোলিসিস বা গ্লাইকোসি ডিসকোজিশন কোষের তরল পদার্থের শ্বাসপ্রশ্বাসের প্রথম পর্যায়। এই ক্রিয়াতে, গ্লুকোজের আংশিক অক্সিডেশন রয়েছে; ফলস্বরূপ, পাইরুভিক অ্যাসিডের 2 অণু গ্লুকোজের একটি অণু গঠন করে এবং কিছু শক্তি মুক্তি পায়। এই প্রক্রিয়াটি বিভিন্ন পর্যায়ে ঘটে এবং প্রতিটি পর্যায়ে বিশেষ অ্যানজাইম অনুঘটক হিসাবে কাজ করে। এই ক্রিয়াকে এম্বডেন, মেয়ারহ্‌ফ এবং পারনেস নামক তিন বিজ্ঞানী প্রথম এই বিক্রিয়াটিকে পর্যবেক্ষণ করেন এবং তাঁদেরে নামানুসারে গ্লাইকোলাইসিস পর্যায়টিকে EMP পথ বলা হয়। এই পর্যায়ে এক অনু 6 কার্বনযুক্ত যৌগ গ্লুকোজ বিভিন্ন উৎসেচকের সহায়তায় এবং কতগুলি ধারাবাহিক বিক্রিয়ায় মাধ্যমে জারিত হয়ে 2 অনু 3 কার্বনযুক্ত পাইরুভিক অ্যাসিড এবং 2 অনু ATP উৎপন্ন করে।


৩.৪ ক্রেবস চক্রকে TCA চক্র বলা হয় কেন ক্রেবস চক্রটি বক্স চিত্রের মাধ্যমে লেখ।

উত্তরঃ- সবাত শ্বসনের যে পর্যায়ে গ্লাইকোলাইসিসে উৎপন্ন পাইরুভিক অ্যাসিড সম্পূর্ণ জারিত হয়ে বিভিন্ন প্রকার জৈব অ্যাসিড তৈরির মাধ্যমে একটি চক্রাকার পথে কার্বন-ডাই-অক্সাইড, জল এবং শক্তি উৎপন্ন করে, তাকে ক্রেবস চক্র বলে।

       ক্রেবস চক্র উৎপাদিত বিভিন্ন জৈব অ্যাসিড গুলির মধ্যে প্রথম উৎপাদিত দ্রব্য সাইট্রিক অ্যাসিড হওয়ায় এই চক্রকে সাইট্রিক অ্যাসিড চক্র বলে। সাইট্রিক অ্যাসিডে তিনটি কার্বক্সিল বর্গ থাকায় একে ট্রাই কার্বক্সিলিক অ্যাসিড চক্র বা TCA চক্র বলে।


৩.৫ মানব দেহের অতিরিক্ত রেচন অঙ্গ হিসেবে যকৃৎ, ফুসফুস ও চর্মের ভূমিকা আলোচনা করো।

উত্তরঃ-

যকৃতঃ-

   যকৃতের ভিতরে হিমোগ্লোবিন বিশ্লিষ্ট হয়ে বিলিরুবিন, বিলিভার্ডিন, লেসিথিন ইত্যাদি রেচন পদার্থের সৃষ্টি হয়। এইসব পদার্থ পিত্তের সঙ্গে মিশে অন্ত্রে আসে এবং মলের সঙ্গে দেহের বাইরে নির্গত হয়। যকৃতে আরজিনেজ উৎসেচকের প্রভাবে, অরনিথিন চক্রের মাধ্যমে অ্যামোনিয়া থেকে ইউরিয়া তৈরি হয়। এই ইউরিয়া মানুষের মূত্রের সঙ্গে দেহের বাইরে নির্গত হয়। এই কারণে যকৃৎকে রেচন অঙ্গ বলে।

ফুসফুসঃ-

   ফুসফুস গ্লুকোজ দহনের ফলে উৎপন্ন কার্বন ডাই অক্সাইড এবং জলীয়বাষ্প দেহের বাইরে নিষ্কাশিত করতে সহায়তা করে। 18 লিটার কার্বন-ডাই-অক্সাইড প্রতি ঘন্টায় এবং 400ml জলীয়বাষ্প প্রতিদিনে নির্গত হয়।

চর্ম বা ত্বকঃ-

   ত্বকে অবস্থিত ঘর্মগ্রন্থি ঘামের মাধ্যমে জল, খনিজ লবণ ও কিছু পরিমাণ অ্যামোনিয়া এবং ইউরিয়া পরিত্যাগ করে। এইভাবে ত্বক রেচনে সাহায্য করে।


৩.৬ রক্তের উপাদানগুলি ছকের সাহায্যে উল্লেখ করো। 

উত্তরঃ 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

LightBlog

Below Post Ad

LightBlog

AdsG

close