Type Here to Get Search Results !

মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন ২০২৩ - দ্বিতীয় অধ্যায় – বায়ুমন্ডল

বায়ুমন্ডল

দ্বিতীয় অধ্যায়

বিভাগ 'ক' 

১) বিকল্পগুলির  থেকে সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখঃ- 

১.১) ক্ষুদ্র  মন্ডল বলা হয় -

(ক) মেসোস্ফিয়ারকে 

(খ) ট্রপোস্ফিয়ারকে 

(গ) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারকে 

(ঘ) ম্যাগনেটোস্ফিয়ারকে  

উত্তরঃ (খ) ট্রপোস্ফিয়ারকে 

১.২) বায়ুমণ্ডলের ওজোন গ্যাস_________ স্তরে ঘণ অবস্থান থাকে। -

(ক) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার 

(খ) মেসোস্ফিয়ার 

(গ) ট্রপোস্ফিয়ার  

(ঘ) আয়নোস্ফিয়ার 

উত্তরঃ (ক) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার

১.৩) অতিবেগুনি রশ্মি শোষিত হয় -

(ক) মেসোস্ফিয়ারে 

(খ) ট্রপোস্ফিয়ারে 

(গ) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে 

(ঘ) আয়নোস্ফিয়ারে

উত্তরঃ (ঘ) আয়নোস্ফিয়ারে

১.৪) ওজন গহ্বর তৈরি হয়েছে -

(ক) নিরক্ষীয় অঞ্চলে 

(খ) সুমেরু অঞ্চলে 

(গ) কুমেরু অঞ্চলে 

(ঘ) ক্রান্তীয় অঞ্চলে

উত্তরঃ  (গ) কুমেরু অঞ্চলে

১.৫) বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ -

(ক) ০.০৪% 

(খ) 0.01% 

(গ) 0.02% 

(ঘ) 0.33%

উত্তরঃ (ক) ০.০৪%

১.৬) পৃথিবীর গড় অ্যালবেডো -

(ক) 34 শতাংশ 

(খ) 40 শতাংশ 

(গ) 50 শতাংশ 

(ঘ) 66 শতাংশ

উত্তরঃ (ক) 34 শতাংশ

১.৭) সূর্য থেকে পৃথিবীর দিকে আসা রশ্মির যে অংশ পুনরায় মহাশূন্যে ফেরত যায় তাকে বলে -

(ক) অ্যালবেডো 

(খ) বিউফোর্ট 

(গ) বিকিরণ 

(ঘ) পরিচলন

উত্তরঃ (ক) অ্যালবেডো

১.৮) বায়ুর উষ্ণতা কোন যন্ত্রের সাহায্যে মাপা হয় -

(ক) ব্যারোমিটার 

(খ) অ্যানিমোমিটার 

(গ) থার্মোমিটার 

(ঘ) ক্যালরীমিটার

উত্তরঃ (গ) থার্মোমিটার

১.৯) অ্যালবেডোর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি হয় -

(ক) বালির ওপর 

(খ) তুষার ক্ষেত্রে 

(গ) বনভূমিতে 

(ঘ) জল ভাগের ওপর

উত্তরঃ (খ) তুষার ক্ষেত্রে

১.১০) El Nino দেখা যায় -

(ক) বঙ্গোপসাগরে 

(খ) ভারত মহাসাগরে 

(গ) প্রশান্ত মহাসাগরে

(ঘ) আটলান্টিক মহাসাগরে

উত্তরঃ (গ) প্রশান্ত মহাসাগরে

১.১১) doldrum সৃষ্টি হয় -

(ক) নিরক্ষীয় অঞ্চলে 

(খ) কর্কটীয় ও মকরীয় অঞ্চলে 

(গ) মেরু অঞ্চলে 

(ঘ) উপ-ক্রান্তীয় অঞ্চলের

উত্তরঃ (ক) নিরক্ষীয় অঞ্চলে

১.১২) আয়ন বায়ু কে যে নামে ডাকা হয় -

(ক) সাময়িক বায়ু 

(খ) পশ্চিমা বায়ু 

(গ) মেরু বায়ু 

(ঘ) বাণিজ্য বায়ু

উত্তরঃ (ঘ) বাণিজ্য বায়ু

১.১৩) গর্জনশীল চল্লিশা বলা হয় -

(ক) 40 ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ 

(খ) 40 ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশ 

(গ) 40 ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা 

(ঘ) 40 ডিগ্রি পশ্চিম দ্রাঘিমা

উত্তরঃ (খ) 40 ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশ

১.১৪) Coriolis শক্তির প্রভাবে বায়ুর -

(ক) চাপের পরিবর্তন হয় 

(খ) গতিবেগের পরিবর্তন হয় 

(গ) দিক বিক্ষেপ হয় 

(ঘ) উষ্ণতার পরিবর্তন হয়

উত্তরঃ (গ) দিক বিক্ষেপ হয় 

১.১৫) ক্যারিবিয়ান সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নাম -

(ক) হ্যারিকেন 

(খ) সাইক্লোন

(গ) টাইফুন 

(ঘ) খামসিন

উত্তরঃ (ক) হ্যারিকেন

১.১৬) ভারতের একটি বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল হলো -

(ক) পশ্চিমঘাট পর্বতের পশ্চিম ঢাল 

(খ) পূর্বঘাট পর্বতের পূর্বঢাল 

(গ)  হিমালয়ের দক্ষিণ ঢাল 

(ঘ) শিলং

উত্তরঃ (ঘ) শিলং

১.১৭) পরিপৃক্ত বায়ুর উষ্ণতা শিশিরাঙ্কের  নিচে নেমে গেলে কি হয়? -

(ক) বাষ্পীভবন 

(খ) অধঃক্ষেপণ 

(গ) ঘনীভবন 

(ঘ) তুষারপাত

উত্তরঃ (গ) ঘনীভবন

১.১৮) সম্পৃক্ত বায়ুর আপেক্ষিক আদ্রতা হল -

(ক) 70 percent 

(খ) 80 percent 

(গ) 90 percent 

(ঘ) 100 percent

উত্তরঃ (ঘ) 100 percent

১.১৯) উষ্ণতার সঙ্গে আপেক্ষিক আর্দ্রতার সম্পর্ক -

(ক) ব্যস্তানুপাতিক 

(খ) সমানুপাতিক 

(গ) ধনাত্মক 

(ঘ) সম্পর্কযুক্ত নয়

উত্তরঃ (ক) ব্যস্তানুপাতিক

১.২০) আপেক্ষিক আর্দ্রতা মাপা হয় যে যন্ত্রের সাহায্যে তা হলো -

(ক) হাইগ্রোমিটার 

(খ) ব্যারোমিটার 

(গ) থার্মোমিটার 

(ঘ) অলটিমিটার

উত্তরঃ (ক) হাইগ্রোমিটার


বিভাগ 'খ' 

২) ২.১) নিম্নলিখিত বাক্যগুলি শুদ্ধ হলে পাশে 'শু' এবং অশুদ্ধ হলে পাশে 'অ' লেখ:- 

২.১.১) ধূলিকণার জন্য আকাশে বর্ণবৈচিত্র্য দেখা যায়।

উত্তরঃ শু 

২.১.২) ট্রপোস্ফিয়ারে ধূলিকণার উপস্থিতি সর্বাধিক।

উত্তরঃ শু 

২.১.৩) Troposphere ও Stratosphere এই দুই স্তরের সীমা নির্দেশক সংযোগস্থলকে ট্রপোপজ বলে।

উত্তরঃ শু 

২.১.১) পৃথিবীর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে সবচেয়ে বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস উৎপাদিত হয়।

উত্তরঃ শু 

২.১.২) নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর গ্রীষ্ম ঋতু দেখা যায়।

উত্তরঃ শু 

২.১.৩) উদ্ভিদ হীন অঞ্চলে বায়ুর উষ্ণতা চরম প্রকৃতির হয়।

উত্তরঃ শু 

২.১.৪) বায়ুর উষ্ণতা এবং চাপের সম্পর্ক বিপরীতমুখী। 

উত্তরঃ শু 

২.১.৫) পশ্চিমা বায়ুর অন্য নাম প্রত্যয়ন বায়ু।

উত্তরঃ শু 

২.১.৬) জেট বায়ু একধরনের Geostrophic বায়ু।

উত্তরঃ শু 

২.১.৭) তুন্দ্রা অঞ্চলে বছরে 8 থেকে 9 মাস তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে থাকে।

উত্তরঃ শু 

২.১.৮) ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে উষ্ণতা বেশি এবং মে-জুন মাসে উষ্ণতা কম হলে স্থানটি দক্ষিণ গোলার্ধে হবে।

উত্তরঃ শু 

২.১.৯) নিরক্ষীয় অঞ্চলে বৃষ্টিপাত মূলত বিকেল চারটে নাগাদ হয়ে থাকে।

উত্তরঃ শু 

২.২) উপযুক্ত শব্দ বসিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করঃ- 

২.২.১) বায়ুর উপাদান গুলির মধ্যে প্রধান হল_______ও _____। 

উত্তরঃ নাইট্রোজেন, অক্সিজেন

২.২.২) জলীয়বাষ্প বায়ুমন্ডলের ভাসমান _______ কে আশ্রয় করে মেঘ ও কুয়াশা সৃষ্টি করে। 

উত্তরঃ ধূলিকণা

২.২.৩) _______স্তরকে প্রাকৃতিক সৌর পর্দা' বলে।

উত্তরঃ ওজোন 

২.২.৪) আলো ও উত্তাপে মাধ্যমে সূর্য থেকে যে রশ্মি ভূপৃষ্ঠে পরে তাকে ______বলে। 

উত্তরঃ Insulation

২.২.৫) সমুদ্র থেকে যত দূরে যাওয়া যায় ততোই জলবায়ু _____ প্রকৃতির হয়। 

উত্তরঃ চরমভাবাপন্ন

২.২.৬) উষ্ণমণ্ডলীয় গড় তাপমাত্রা ______। 

উত্তরঃ 27 ডিগ্রি সেলসিয়াস

২.২.৭) বায়ু প্রবাহের দিক নির্ণয় করা হয় ________ এর সাহায্যে। 

উত্তরঃ বাত পতাকা

২.২.৮) ঘূর্ণবাত যাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয় তাকে ____বলে। 

উত্তরঃ ঘূর্ণবাতের চক্ষু

২.২.৯) সমচাপ রেখাগুলি চক্রাকারে খুব কাছাকাছি অবস্থান করলে ________এর সম্ভাবনা থাকে। 

উত্তরঃ ঝড়

২.২.১০) বৃষ্টির সাথে সাথে বিভিন্ন আয়তনের বরফ টুকরো পড়াকে _______ বলে। 

উত্তরঃ শিলা বৃষ্টি

২.২.১১) গ্রীষ্মে বৃষ্টিপাত কিন্তু শীতে শুষ্ক জলবায়ু হল _____ জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য।

উত্তরঃ মৌসুমী

২.২.১২) ধোঁয়া এবং কুয়াশা মিলে তৈরি হয়_______ । 

উত্তরঃ ধোঁয়াশা

২.৩) একটি বা দুটি শব্দ উত্তর দাওঃ- 

২.৩.১) কোন্‌ স্তর থাকার জন্য আমরা রেডিওতে গান শুনতে পায়?  

উত্তরঃ আয়োনোস্ফিয়ার

২.৩.২) বায়ুমন্ডলের দুটি নিষ্ক্রিয় গ্যাসের নাম লেখ। 

উত্তরঃ আর্গন ও নিয়ম

২.৩.৩) কোন্‌ স্তরকে 'পৃথিবীর ছাতা' বলা হয়? 

উত্তরঃ ওজোন স্তর কে

২.৩.৪) বায়ুর উষ্ণতা স্বাভাবিক হ্রাসের হার কত? 

উত্তরঃ প্রতি 1000 মিটার উষ্ণতাই 6.5 ডিগ্রি সেলসিয়াস

২.৩.৫) এসি মেশিন, ফ্রিজ থেকে কোন ধরনের গ্রীন হাউজ গ্যাস নির্গত হয়? 

উত্তরঃ ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন

২.৩.৬) পেরু ইকুয়েডরে প্রবল বৃষ্টির কারণ কি? 

উত্তরঃ El Nino

২.৩.৭) বায়ু চাপ মাপার একক কি? 

উত্তরঃ Millibar

২.৩.৮) বায়ুর চাপ নির্দেশক রেখা গুলিকে কি বলে? 

উত্তরঃ সমপ্রেষরেখা

২.৩.৯) পৃথিবীর আবর্তনের  জন্য কোন্‌ বলেন সৃষ্টি হয়? 

উত্তরঃ কোরিওলিস বলের

২.৩.১০) বায়ুর ঘনীভবনের যেকোনো একটি উদাহরণ দাও। 

উত্তরঃ শিশির

২.৩.১১) ঘনীভবন এবং অধঃক্ষেপণ এর উৎস কি?

উত্তরঃ জলীয় বাষ্প

২.৩.১২) বায়ুমণ্ডল থেকে জল কনা কঠিন অবস্থা অথবা তরল রূপে ভূপৃষ্ঠে পড়াকে কি বলে?

উত্তরঃ অধঃক্ষেপণ 

২.৪.১) বাম দিকের সাথে ডানদিকের গুলি মিলিয়ে লেখ :

      বাম দিক                ডান দিক

২.৪.১) Troposphere    (ক) বেতার তরঙ্গের প্রতিফলন

২.৪.২) Stratosphere   (খ) মেঘ সৃস্টির সংঘটন

২.৪.৩) Mesosphere    (গ) উল্কা পুড়ে যায়

২.৪.৪) Ionosphere     (ঘ) অতিবেগুনি রশ্মির শোষণ

উত্তরঃ ২.৪.১) Troposphere - (খ) মেঘ সৃস্টির সংঘটন ২.৪.২) Stratosphere -    (ঘ) অতিবেগুনি রশ্মির শোষণ ২.৪.৩) Mesosphere - (গ) উল্কা পুড়ে যায় ২.৪.৪) Ionosphere - (ক) বেতার তরঙ্গের প্রতিফলন

২.৪.২) বাম দিকের সাথে ডানদিকের গুলি মিলিয়ে লেখঃ- 

      বাম দিক                           ডান দিক

২.৪.১) El Nino                   (ক) সমুদ্র জলের উচ্চতা বৃদ্ধি

২.৪.২) মেরু বরফের গলন       (খ)  উষ্ণতা কম 

২.৪.৩) মেঘাচ্ছন্নতা               (গ)  ভূমির সমান্তরালে তাপপ্রবাহ

২.৪.৪) অ্যাডভেকশন             (ঘ) ভারতে খরা

উত্তরঃ ২.৪.১) el nino - (ঘ) ভারতে খরা ২.৪.২) মেরু বরফের গলন - (ক) সমুদ্র জলের উচ্চতা বৃদ্ধি ২.৪.৩) মেঘাচ্ছন্নতা (খ)  উষ্ণতা কম ২.৪.৪) অ্যাডভেকশন - (গ)  ভূমির সমান্তরালে তাপপ্রবাহ

২.৪.৩) বাম দিকের সাথে ডানদিকের গুলি মিলিয়ে লেখঃ- 

        বাম দিক                   ডান দিক

২.৪.১) সিরোক্কো           (ক)  রাইন নদীর উপত্যকা

২.৪.২) ফন                (খ)  সিসিলি দ্বীপ

২.৪.৩) চিনুক              (গ) রোন নদীর উপত্যকা

২.৪.৪) মিস্ট্রাল             (ঘ) প্রেইরি অঞ্চল

উত্তরঃ ২.৪.১) সিরোক্কো - (খ)  সিসিলি দ্বীপ ২.৪.২) ফন - (ক)  রাইন নদীর উপত্যকা ২.৪.৩) চিনুক - (ঘ) প্রেইরি অঞ্চল - (গ) রোন নদীর উপত্যকা

২.৪.৪) বাম দিকের সাথে ডানদিকের গুলি মিলিয়ে লেখঃ- 

     বাম দিক                          ডান দিক

২.৪.১) শিশির                   (ক) অধঃক্ষেপণ

২.৪.২) কুয়াশা                  (খ) ধোঁয়া ও কুয়াশার মিশ্রণ

২.৪.৩) ধোঁয়াশা                 (গ) ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন ঘনীভবন

২.৪.৪) গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি          (ঘ) জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে জলবিন্দুর আকারে ঘাসের উপর জমে                                                                                             

 উত্তরঃ ২.৪.১) শিশির -  (ঘ) জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে জলবিন্দুর আকারে ঘাসের উপর জমে  ২.৪.২) কুয়াশা - (গ) ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন ঘনীভবন ২.৪.৩) ধোঁয়াশা -  (খ) ধোঁয়া ও কুয়াশার মিশ্রণ ২.৪.৪) গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি - (ক) অধঃক্ষেপণ


বিভাগ 'গ' 

৩) নিচের প্রশ্নগুলো সংক্ষিপ্ত উত্তর দাওঃ- 

৩.১) ওজোনস্তর ধ্বংস কারী গ্যাসগুলির নাম লেখ।

উত্তরঃ ওজোনস্তর ধ্বংস কারী গ্যাসগুলির নাম হল - (১) ক্লোরোফ্লুরোকার্বন, (২) মিথেন, (৩) নাইট্রাস অক্সাইড, (৪) হ্যালন।

৩.২) বায়ুমন্ডলের উপাদান সমূহ কি কি?

উত্তরঃ বায়ুমন্ডলের উপাদান সমূহ হল - (১) অক্সিজেন (২) নাইট্রোজেন (৩) কার্বন-ডাই-অক্সাইড, (৪) মিথেন

৩.৩) অ্যারোসেল কি?

উত্তরঃ বায়ুমন্ডলে ভাসমান সূক্ষ্ম ধূলিকণাকে অ্যারোসেল বলে। অ্যারোসেলকে আশ্রয় করেই জলীয় বাষ্প বাতাসে ভেসে বেড়ায়।

৩.৪) বায়ুমণ্ডলের ওজোন গ্যাসের প্রয়োজনীয়তা কি? 

উত্তরঃ যেখানে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের ওজোনের ঘনত্ব ২০০ ডবসন ইউনিট-এর কম এবং সেখান দিয়ে অতিবেগুনি রশ্মি প্রবেশ করে তা হল ওজোন হোল বা ওজোন গহ্বর। অ্যান্টার্কটিকা অঞ্চলে ওজোন গহ্বর তৈরি হয়েছে।

৩.৫) ট্রপোপজ কাকে বলে?

উত্তরঃ ট্রপোস্ফিয়ারের ঊর্ধ্বে ৩ কিমি পর্যন্ত অংশে উষ্ণতা একই থাকে - হ্রাস বা বৃদ্ধি কিছুই ঘতে না। একে ট্রপোপজ বলে। ট্রপোপজ হল ট্রপোস্ফিয়ার ও স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের সীমারেখা।

৩.৬) সমোষ্ণ রেখা কাকে বলে?

উত্তরঃ ভূপৃষ্ঠের সম উষ্ণতা বিশিষ্ট বিভিন্ন স্থানগুলিকে মানচিত্রে যে রেখা দিয়ে যুক্ত করা হয়, তাকে সমোষ্ণ রেখা বলা হয়।

৩.৭) অ্যালবেডো কি?

উত্তরঃ আগত সৌররশ্মির প্রায় ৩৪% মেঘপুঞ্জ, ধূলিকণা, দ্বারা প্রতিফলিত হয়ে মহাশূন্যে ফিরে যায়। এই রশ্মি পৃথিবী ও বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করে না, একে অ্যালবেডো বলে। 

৩.৮) গ্রীন হাউজ প্রভাব কি?

উত্তরঃ যে পদ্ধতিতে ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সূর্যালোক পৃথিবীপৃষ্ঠে প্রতিফলিত হওয়ার ফলে সৃষ্ট দীর্ঘ তরঙ্গ রশ্মি বায়ুমন্ডলের কিছু গ্যাস দ্বারা শোষিত হয় এবং পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি করে তা হল গ্রিনহাউস প্রভাব।

৩.৯) বিশ্ব উষ্ণায়ন  কি?

উত্তরঃ গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রভাবে পৃথিবীর উষ্ণতা ক্রমবর্ধমান হারে বেড়েই চলেছে। ফলে জলবায়ুরও পরিবর্তন হচ্ছে। এই বিশেষ উষ্ণকরণের প্রক্রিয়াকে বলে বিশ্ব উষ্ণায়ন।

৩.১০) অ্যাডভেকশন কি?

উত্তরঃ ভূপৃষ্ঠের সমান্তরালে অনুভূমিকভাবে বায়ুপ্রবাহের মাধ্যমে তাপের সঞ্চালন ঘটলে তাকে অ্যাডভেকশন বলে। এই পদ্ধতির মাধ্যমেই নিম্ন অক্ষাংশের উষ্ণতা উচ্চ অক্ষাংশের দিকে সঞ্চালিত হয়। ভারতের উত্তর-পশ্চিমে প্রবাহিত লু অ্যাডভেকশন পদ্ধতির প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

৩.১১) আশ্বিনের ঝড় কাকে বলে?

উত্তরঃ অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে মকরক্রান্তীয় অঞ্চলে সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় ভারত মহাসাগরের জলভাগ ভারতের স্থলভাগ অপেক্ষা অধিক উত্তপ্ত হয়। ফলে ভারতের স্থলভাগ থেকে উচ্চচাপের বায়ু ভারতমহাসাগরের নিম্নচাপের দিকে ধাবিত হয়। এই বায়ুর সঙ্গে অপেক্ষাকৃত আর্দ্র দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর সংঘর্ষে পশ্চিমবঙ্গে যে ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয় তাকে আশ্বিনের ঝড় বলে।

৩.১২) ঘূর্ণবাতের চক্ষু কাকে বলে?

উত্তরঃ ক্রান্তীয় অঞ্চলে অতি বিধ্বংসী ঝড়ের কেন্দ্রে উষ্ণতা বেশি হয়, মেঘ প্রায় থাকে না বললেই চলে এবং বায়ুর গতিবেগও খুব কম। ক্রান্তীয় ঘূর্ণবাতের এই কেন্দ্রকে ঘূর্ণবাতের চক্ষু বলে। ঘূর্ণবাতের চক্ষুর পরিধি সর্বাধিক ৮০ কিমি পর্যন্ত গতে পারে।

৩.১৩) গর্জনশীল চল্লিশা কাকে বলে?

উত্তরঃ দক্ষিণ গোলার্ধে স্থলভাগ অপেক্ষা সমুদ্রের বিস্তার বেশি হওয়ার পশ্চিমা বায়ু বাধাহীনভাবে প্রবলবেগে গর্জন করে প্রবাহিত হয়। প্রবল বায়ুপ্রবাহের কারণেই ৪০⁰ দক্ষিণ অক্ষরেখা গর্জনশীল চল্লিশা নামে পরিচিত।

৩.১৪) বাণিজ্য বায়ু বলতে কী বোঝ?

উত্তরঃ আয়ন বায়ু একটি নির্দিষ্ট পথ বরাবর প্রবাহিত হয়। পালতোলা জাহাজের যুগ এই বায়ুর পথ ধিরে বাণিজ্য হত বলে ের ওপর নাম বাণিজ্য বায়ু।

৩.১৫) অশ্ব অক্ষাংশ কি?

উত্তরঃ কর্কটক্রান্তি রেখা ও মকরক্রান্তি রেখার দু'পাশে ৩০°- ৩৮° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশে সারাবছর ধরে বায়ুর উচ্চচাপ দেখা যায়। ক্রান্তীয় অঞ্চলের শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নমুখী হওয়ায় বায়ুর কোনো পার্শ্বপ্রবাহ থাকে না, এই অঞ্চলকে অশ্ব অক্ষাংশ বলা হয়।

৩.১৬) অধঃক্ষেপণ কাকে বলে?

উত্তরঃ মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে বায়ুমন্ডল থেকে জলীয় বাষ্প ঘনীভবনের মাধ্যমে কঠিন ও তরল অবস্থায় ভূপৃষ্ঠে নেমে আসাকে বলে অধঃক্ষেপণ বলে।

৩.১৭) শিশিরাংক  কি?

উত্তরঃ যে বিশেষ তাপমাত্রায় বায়ু সম্পৃক্ত অবস্থায় পৌঁছায়, বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেড়ে হয় ১০০% সেই তাপমাত্রা হল শিরিরাঙ্ক। বায়ুর তাপমাত্রা শিশিরাঙ্কের নীচে নামলে ওই তাপমাত্রায় বায়ুর জলীয় বাষ্প ধারণ করার ক্ষমতার অতিরিক্ত জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়। শিশিরাঙ্কের উশণতা হিমাঙ্কের উপরে থাকে। যদি শিশিরাঙ্কের উষ্ণতা হিমাঙ্কের নীচে নামে তাহলে জলীয় বাষ্প ঊর্ধ্বপাতন প্রক্রিয়ায় বরফকণায় পরিণত হয়।

৩.১৮) বৃষ্টিপাত কয় প্রকার ও কি কি?

উত্তরঃ বৃষ্টিপাত সাধারণ তিন প্রকার। যথা - (১) পরিচলন বৃষ্টিপাত (২) শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি (৩) ঘূর্ণবাত বৃষ্টি।

৩.১৯) সমবর্ষণ রেখা কি?

উত্তরঃ পৃথিবীর একই বৃষ্টিপাতযুক্ত স্থানগুলিকে মানচিত্রে যে রেখা দ্বারা যুক্ত করা হয়, তাকে সমবর্ষণ রেখা বলে।

৩.২০) শহরাঞ্চলে বা শিল্পাঞ্চলে প্রায় কুয়াশা দেখা যায় কেন?

উত্তরঃ দীর্ঘ শীতের রাত্রে ভূপৃষ্ঠ তাপ বিকিরণ করে দ্রুত শীতল হয়ে পড়ে। বাতাসে ভাসমান জলীয় বাষ্প তখন ধূলিকণাকে আশ্রয় করে ঘনীভূত হয় ও ভূমিসংলগ্ন ঠাণ্ডা বাতাসে ভাসতে থাকে। শীতল, শান্ত বায়ুস্তরে কুয়াশা দ্রুত সৃষ্টি হয়। সাধারণত কলকারখানাসংলগ্ন শিল্পশহরে ধুলোকণা, কার্বনকণার প্রাচুর্যে শীতের রাতে ঘন কুয়াশার সৃষ্টি হয়।

বিভাগ 'ঘ' 

৪) সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক উত্তর দাওঃ- 

প্রশ্নঃ বায়ুমণ্ডলের গুরুত্ব কী?

উত্তরঃ বায়ুমণ্ডলের গুরুত্ব হল -

(১) বায়ুমণ্ডলের বায়বীয় উপাদান C জীবমণ্ডলকে বাঁচিয়ে রেখেছে। 

(২) এই অংশ সৌরশক্তির কুপরিবাহী বলে পৃথিবীর গড় উন্নতা ১৫° সেলসিয়াস যা জীবকুল গড়ে ওঠার সহায়ক। 

(৩) সূর্যের ক্ষতিকারক বস্তু এখানেই শোষিত হয়।

প্রশ্নঃ বৈপরীত্য উয়তা কাকে বলে?

উত্তরঃ সাধারণ অবস্থায় বায়ুমণ্ডলের ট্রপোস্ফিয়ার স্তরে প্রতি ১০০০ মিটার উচ্চতা বৃদ্ধিতে ৪৫° সেলসিয়াস হারে উয়তা হ্রাস পায়। কিন্তু বিশেষ পরিস্থিতিতে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উয়তা হ্রাস না পেয়ে বরং বাড়তে থাকে। এরূপ অবস্থাকে বৈপরীত্য উয়তা বা উয়তার উক্ৰম বলে। উয়তার উক্ৰম ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুস্তরে কিংবা ট্রপােস্ফিয়ারে উর্ধ্ববায়ুস্তরে পরিলক্ষিত হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বৈপরীত্য উয়তা হলো বায়ু তাপের অস্থায়ী অবস্থা।

প্রশ্নঃ কী কী কারণে বায়ুমণ্ডলে উষ্ণতার বৈপরীত্য ঘটে?

উত্তরঃ বায়ুমণ্ডলে উষ্ণতার বৈপরীত্যর কারণ হল -

(১) নাতিশীতোয় অঞ্চলের পার্বত্য উপত্যকায় উচ্চ অংশের শীতল ও ভারী বায়ু ঢাল বেয়ে নেমে আসে এবং উপত্যকার নিম্নাংশের অপেক্ষাকৃত উষ্ণ বায়ু উপরে ওঠে। এই অবস্থায় উপত্যকার নিম্নাংশে উষ্ণতা কমে যায় এবং উপরের দিকে উষ্ণতা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। 

(২) অধিক উচ্চতায় ঘন ও শুষ্ক বায়ুর অবনমন ঘটলে উষ্ণতা বেড়ে গিয়ে উষ্ণতার বৈপরীত্য ঘটায়। 

(৩) শীতকালে মহাদেশের কোনো কোনো স্থান অতিদ্রুত হারে তাপ বিকিরণে শীতল হয়। ফলে ওই অঞ্চলের ভূপৃষ্ঠসংলগ্ন অঞ্চলও শীতল হয়। কিন্তু উপরের বায়ু অত দ্রুত শীতল হয় না বলে উপরে উষ্ণতা কিছুটা বেশি থাকে। এই প্রক্রিয়া রাতের বেলা হয় কিন্তু সাময়িক।

প্রশ্নঃ ওজোনস্তর বিনাশের কারণগুলি লেখো।

উত্তরঃ ওজোনস্তর বিনাশের কারণগুলি হলো -

(১) ক্লোরোফ্লুরোকার্বন হল ওজোন স্তর বিনাশের অন্যতম কারণ। 

(২) নগরায়ন ও শিল্পায়নের প্রসারের সঙ্গে নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড, নাইট্রিক অক্সাইড, নাইট্রাস অক্সাইড প্রভৃতি বিষাক্ত গ্যাস ওজোনস্তর বিনাশ ত্বরান্বিত করছে। (৩) ট্রাইরাো ব্রোমো কার্বন, মিথাইল ব্রোমাইড প্রভৃতি ওজোনস্তর বিনাশ করে।

প্রশ্নঃ ক্রান্তীয় ঘূর্ণবাত বলতে কী বোঝ?

উত্তরঃ ক্রান্তীয় ঘূর্ণবাত কর্কটক্রান্তি ও মকরকান্তি রেখার মধ্যবর্তী অঞ্চল বরাবর সৃষ্ট ঘূর্ণবাতকে ক্রান্তীয় ঘূর্ণবাত বা উপমণ্ডলীয় ঘূর্ণবাত বলে। বিশেষত ৬° উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২০° দক্ষিণ অক্ষাংশে এই ধরনের ঘূর্ণবাত দেখা যায়। সাধারণত অতিরিক্ত উষ্ণতার জন্য সমুদ্রের উপরের বায়ু শুষ্ক, আর্দ্র ও ঊর্ধ্বমুখী হয়, ফলে সেখানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয় এবং চারদিক থেকে প্রবল বেগে বায়ু ঘুরতে ঘুরতে নিম্নচাপের কেন্দ্রের দিকে ছুটে আসে। এই প্রবল গতিবেগসম্পন্ন কেন্দ্রমুখী ঘূর্ণায়মান ঊর্ধ্বমুখী বায়ুপ্রবাহকে ক্রান্তীয় ঘূর্ণবাত বলে। 

প্রশ্নঃ শিলিগুড়ি অপেক্ষা দার্জিলিং বা দিল্লি অপেক্ষা সিমলা শীতল হয় কেন?

উত্তরঃ আমরা জানি উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উষ্ণতা ৬.৪° সেলসিয়াস/কিমি হারে হ্রাস পায়। শিলিগুড়ি প্রায় সমুদ্রপৃষ্ঠে অবস্থিত হলেও দার্জিলিং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচুতে অবস্থিত। আবার দিল্লি সমুদ্রপৃষ্ঠের নিকটে অবস্থিত হলেও সিমলা অনেক উঁচুতে অবস্থিত। অধিক উচ্চতায় অবস্থানের কারণে শিলিগুড়ি অপেক্ষা দার্জিলিং এবং দিল্লি অপেক্ষা সিমলায় সারাবছর উষ্ণতা কম থাকে।

প্রশ্নঃ ক্যাটাবেটিক ও অ্যানাবেটিক বায়ু কাকে বলে?

উত্তরঃ রাত্রিবেলা পর্বতের উপরি অংশের বায়ু দ্রুত তাপ বিকিরণে শীতল ও ভারী হয়ে পড়ে বলে পর্বতের ঢাল বরাবর ভারী বায়ু নীচে নেমে উপত্যকায় অবস্থান করে। এটি হল পার্বত্য বায়ু। পার্বত্য বায়ু বিস্তৃর্ণ অঞ্চল ও দীর্ঘ সময় ধরে প্রবাহিত হলে তখন। তা ক্যাটাবেটিক বায়ু। বোরা, মিস্টাল প্রভৃতি হল ক্যাটাবেটিক বায়ুর উদাহরণ। দিনের বেলা সূর্যতাপে উপত্যকার নিম্নাংশ অপেক্ষা ঢালু অংশ বেশি গরম হয়। ফলে উপত্যকায় নিম্নাংশের বায়ু পর্বতের ঢাল বরাবর উপরের দিকে ওঠে। এটি হল উপত্যকা বায়ু। একে অ্যানাৰেটিক বায়ুও বলা হয়। এই দুই বায়ু প্রবাহের কারণেই পার্বত্য অংশে উষ্ণতা র বৈপরীত্য দেখা যায়।

প্রশ্নঃ শীতকালে মেঘাচ্ছন্ন অপেক্ষা মেঘমুক্ত রাত্রি অধিক শীতল হয় কেন?

উত্তরঃ মেঘের আবরণ দিনের বেলা সূর্যরশ্মিকে ভূপৃষ্ঠে পৌঁছোতে বাধা দেয় এবং রাত্রিবেলা ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপকে পৃথিবীর আবহমণ্ডলের বাইরে পৌঁছোতে দেয় না। এজন্য মেঘাচ্ছন্ন রাত্রিতে ভূপৃষ্ঠ যে তাপ বিকিরণ করে তা মেঘের দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং খুব বেশি উপরে না উঠতে পেরে গ্রিনহাউস এফেক্ট প্রক্রিয়ায় তা বায়ুমণ্ডলের নীচের স্তরকে উত্তপ্ত করে। এর ফলে মেঘাচ্ছন্ন রাত্রি উষ্ণ হয়। অন্যদিকে, মেঘমুক্ত রাত্রিতে ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকীর্ণ তাপ পৃথিবীর আবহমণ্ডলের বাইরে চলে যেতে পারে, তাই মেঘমুক্ত রাত্রি মেঘাচ্ছন্ন রাতের তুলনায় শীতল হয়।

প্রশ্নঃ সমুদ্র বায়ু বলতে কী বোঝ?

উত্তরঃ উপকূল অঞ্চলে দিনের বেলা সমুদ্র থেকে স্থলভাগের যে মৃদুমন্দ বাতাস বয় তা হল সমুদ্র বায়ু।

বৈশিষ্ট্যঃ (১) মোটামুটি সকাল ১০টার পর থেকে বিকাল পর্যন্ত এই বায়ু বয়। 

(২) দুপুরে বায়ুচাপের ঢাল সর্বাধিক হয় বলে সমুদ্র বায়ুর বেগ দুপুরে সবচেয়ে বেশি।

প্রশ্নঃ স্থলবায়ু বলতে কী বোঝ?

উত্তরঃ উপকূল অঞ্চলে রাতের বেলা স্থলভাগ থেকে সমুদ্রের দিকে যে মৃদুমন্দ বাতাস বয় তা হল স্থলবায়ু।

বৈশিষ্ট্যঃ (১) সন্ধ্যার কিছু পর থেকে পরদিন সূর্যোদয়ের আগে পর্যন্ত রাত্রে এই বায়ু প্রবাহিত হয়। 

(২) ভোরবেলা সমুদ্র ও স্থলভাগের মধ্যে বায়ুচাপ ঢালের পার্থক্য সর্বাধিক বলে স্থলবায়ুর বেগ ভোরবেলা সবচেয়ে বেশি।

প্রশ্নঃ স্টেপ জলবায়ুর বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো।

উত্তরঃ (১) মহাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থানের কারণে জলবায়ু চরম প্রকৃতির। 

(২) শীতকালে উষ্ণতা খুব কম হয়। কখনও–কখনও হিমাঙ্কের অনেকটা নীচে নামে। (৩) গ্রীষ্মকালে গড় উষ্ণতা থাকে ২০-২৫° সেলসিয়াস এবং বার্ষিক উষ্ণতার প্রসর ২৫°-৩০° সেলসিয়াস।

প্রশ্নঃ উষ্ণ মরু জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো।

উত্তরঃ উষ্ণ মরু জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হল -

(১) জলবায়ু উষ্ণ ও শুষ্ক এবং চরমভাবাপন্ন প্রকৃতির। 

(২) গ্রীষ্মকালের গড় উষ্ণতা ৩০°-৩৫° সেলসিয়াস এবং শীতকালে ২০° সেলসিয়াস। বার্ষিক উষ্ণতার প্রসার বেশ বেশি, প্রায় ১৫° সেলসিয়াস উষ্ণতায় চরমতা খুব বেশি।

প্রশ্নঃ শিশিরাঙ্ক বলতে কী বোঝ?

উত্তরঃ যে বিশেষ তাপমাত্রায় বায়ু সম্পৃক্ত অবস্থায় পৌঁছায়, বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেড়ে হয় একশো শতাংশ সেই তাপমাত্রা হল শিশিরাঙ্ক। বায়ুর তাপমাত্রা শিশিরাঙ্কের নীচে নামলে ওই তাপমাত্রায় বায়ুর জলীয় বাষ্প ধারণ করার ক্ষমতার অতিরিক্ত জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়। শিশিরাঙ্কের উষ্ণতা হিমাঙ্কের উপরে থাকে। যদি শিশিরাঙ্কের উষ্ণতা হিমাঙ্কের নীচে নামে তাহলে জলীয় বাষ্প ঊর্ধ্বপাতন প্রক্রিয়ায় বরফকণায় পরিণত হয়।

প্রশ্নঃ অধঃক্ষেপণ কাকে বলে?

উত্তরঃ মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে বায়ুমন্ডল থেকে জলীয় বাষ্প ঘণীভবনের মাধ্যমে কঠিন ও তরল অবস্থায় ভূপৃষ্ঠে নেমে আসাকে বলে অধঃক্ষেপণ।

প্রশ্নঃ বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল কাকে বলে?

উত্তরঃ জলীয় বাষ্পপূর্ণ আর্দ্রবায়ু কোনো উঁচু মালভূমি বা পর্বতে বাধা পেয়ে প্রতিবাত ঢালে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত ঘটানোর পর তাতে জলীয় বাষ্প থাকে না বললেই চলে। এই পাহাড়ের বায়ুমুখী ঢালের বিপরীত দিকের প্রায় বৃষ্টিহীন অনুবাদ ঢালের বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল বলা হয়।

প্রশ্নঃ নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রতিদিন পরিচলন বৃষ্টিপাত হয় কেন?

উত্তরঃ নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রতিদিন পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়, কারণ -

(১) নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর সূর্যকিরণ লম্বভাবে পড়ার দরুণ প্রচুর উত্তাপের সৃষ্টি হয়। 

(২) এই অঞ্চলে জলভাগ বেশি। 

(৩) জলভাগ বেশি তাই প্রচুর জলীয়বাষ্প উৎপন্ন হয়।

Madhyamik Suggestion 2023 Download PDF

বিভাগ 'ঙ' 

৫) ৫.১) যেকোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাওঃ- 

প্রশ্নঃ বায়ুর উষ্ণতার তারতম্যের কারণসমূহ আলোচনা করো।

উত্তরঃ বায়ুর তাপের তারতম্যের কারণ সমূহ হল -

অক্ষাংশঃ পৃথিবীর কক্ষতলের সঙ্গে সর্বদা ৬৬° কোণে হেলে সূর্যের চারিদিকে পরিক্রমণ করে। এর ফলে নিরক্ষীয় অঞ্চলে সূর্য সারাবছর লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং তাপীয় ফল বেশি থাকে। আবার মেরুর দিকে সূর্য ক্রমশ তির্যকভাবে পতিত হয়। ফলে সূর্যের তাপীয় ফল কম হয়। তাই উচ্চ অক্ষাংশ অপেক্ষা নিম্ন অক্ষাংশের গড় উয়তা অধিক হয়।

ভূমির উচ্চতাঃ ট্রপোস্ফিয়ারে উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে প্রতি কিমিতে গড়ে প্রায় ৬.৪° সেলসিয়াস প্রতি ১০০০ মিটার হারে উষ্মতা হ্রাস পায়। বায়ুমণ্ডলের উম্লতা তত কম হয়।

মেঘাচ্ছন্নতা ও অধঃক্ষেপনঃ দিনের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে সৌররশ্মির তাপীয় ফল হ্রাস পায় কিন্তু রাতের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হলে ভূ-পৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ মেঘদ্বারা বাধা প্রাপ্ত হয়ে পুনরায় পৃথিবীতে ফিরে আসে, ফলে উষ্ণতা বৃদ্ধি পায়। উষ্ণতার ওপর বৃষ্টিপাতের প্রভাব কম হলেও বৃষ্টিপাত হওয়ার ফলে বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা সামান্য হ্রাস পায়।

স্থলভাগ ও জলভাগের বণ্টনঃ জলভাগের তুলনায় স্থলভাগ দ্রুত উষ্ণ বা শীতল হয়। এই কারণে সমুদ্র থেকে কম দূরবর্তী স্থান গ্রীষ্মকালে অধিক। উম্ন ও শীতকালে অধিক শীতল হয়।

সমুদ্রস্রোতঃ সমুদ্রের যে উপকূলীয় অঞ্চল বরাবর উষ্ণ সমুদ্রস্রোত প্রবাহিত হয় সেই অঞ্চলের বায়ুমণ্ডল উষ্ণ এবং যে অঞ্চলে শীতল সমুদ্রস্রোত প্রবাহিত হয় সেখানকার বায়ুমণ্ডল শীতল প্রকৃতির হয়।

ভূমির ঢালঃ ভূমির ঢালের দিক অনুযায়ী সৌরশক্তি প্রাপ্তির তারতম্য ঘটে। উত্তর গোলার্ধে উত্তরমুখী ভূমির ঢাল অপেক্ষা দক্ষিণমুখী ভূমির ঢালে অধিক লম্বভাবে সৌরকিরণ পড়ে, ফলে বায়ুমণ্ডলের উচ্চতা অধিক হয়।

প্রশ্নঃ চিত্রসহ বিভিন্ন তাপমণ্ডলের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা দাও।

উত্তরঃ অক্ষরেখার নিরিখে যেসকল অঞ্চলে উষ্ণতা মোটামুটি সমান সেগুলিকেই বলে তাপমণ্ডল। তাপমণ্ডল তিনটি -

উষ্ণমণ্ডলঃ নিরক্ষরেখাকে মাঝখানে রেখে উত্তরে কর্কটক্রান্তি এবং দক্ষিণে মকরক্রান্তির মধ্যবর্তী অঞ্চল। 

বৈশিষ্ট্যঃ (১) গড় উষ্ণতা বেশি, গড়ে ২৭ ° সেলসিয়াস 

(২) এখানে শীত ঋতু অতটা পরিলক্ষিত হয় না। হলেও খুব শীতল নয়। 

(৩) বাৎসরিক উষ্ণতার প্রসার কম।

নাতিশীতোর মণ্ডলঃ উত্তর গোলার্ধে কর্কটক্রান্তি রেখা থেকে সুমেরুবৃত্ত এবং দক্ষিণ গোলার্ধে মকরক্রান্তি থেকে কুমেরুবৃত্ত পর্যন্ত অঞ্চল। 

বৈশিষ্ট্যঃ (১) গড় উদ্বৃতা ০°-২৭° সেলসিয়াস 

(২) নিম্ন অক্ষাংশ থেকে উচ্চ অক্ষাংশের দিকে তাপমাত্রা দ্রুতহারে কমে। 

(৩) বার্ষিক উষ্ণতার প্রসর বেশি।

হিমমণ্ডলঃ উত্তর গোলার্ধে সুমেরুবৃত্ত থেকে সুমেরুবিন্দু এবং দক্ষিণ গোলার্ধে কুমেরুবৃত্ত থেকে কুমেরুবিন্দু হল হিমমণ্ডল। 

বৈশিষ্ট্যঃ (১) গড় উষ্ণতা সারাবছরই ০° সেলসিয়াসের কম। 

(২) দুই–একটি স্থানে কদাচিৎ উষ্ণতা হিমাঙ্কের উপরে ওঠে। 

(৩) বাৎসরিক উষ্ণতার প্রসর খুব বেশি।

প্রশ্নঃ বায়ুচাপের তারতম্যের কারণগুলি আলোচনা করো।

উত্তরঃ বায়ুচাপের তারতম্যের প্রধান কারণ হলো -

উচ্চতাঃ ভূমিভাগের উচ্চতা, বায়ুচাপের তারতম্যের ক্ষেত্রে অন্যতম নিয়ন্ত্রক। ওপরের বায়ুস্তরের প্রবল চাপে বায়ুর অণুগুলি ও ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি অঞ্চলে বেশি পরিমাণে থাকে। একারণেই সমুদ্রতল সংলগ্ন বায়ুস্তরে বায়ুচাপ বেশি হয়। আবার ভূমির উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুর ঘনত্ব ও ওজন কমতে থাকে বলে বায়ুর চাপও কমে যায়। দেখা গেছে, সমুদ্রতল থেকে প্রতি ১১০ মিটার উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ১ সেন্টিমিটার পারদস্তম্ভের সমান বায়ুচাপ কমতে থাকে।

স্থলভাগ ও জলভাগের বণ্টনঃ পৃথিবীপৃষ্ঠে জলভাগ ও স্থলভাগের বিন্যাস বা বণ্টন তথা উভয়ের মধ্যেকার তাপগ্রাহীতা শক্তির পার্থক্যের জন্যও বায়ুর চাপের তারতম্য ঘটে। জলভাগের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ু জলীয়বাষ্প গ্রহণ করে বলে তা আর্দ্রও হালকা হয় এবং চাপও কম হয়। কিন্তু স্থলভাগের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ু জলীয়বাষ্প সংগ্রহ করতে পারে না। তাই তা শুষ্ক, ভারি হয় এবং চাপও অধিক হয়।

জলীয়বাষ্পঃ বায়ুতে উপস্থিত অন্যান্য উপাদানের মধ্যে জলীয়বাষ্প হল অধিক হালকা উপাদান। বেশি জলীয় বাষ্পযুক্ত বায়ু নিম্নচাপবিশিষ্ট হয় এবং কম জলীয়বাষ্পযুক্ত বায়ু উচ্চচাপবিশিষ্ট হয়।

পৃথিবীর আবর্তনঃ পৃথিবীর আবর্তনগতির ফলে সৃষ্ট কেন্দ্ৰবহির্মুখী বলের প্রভাবে বায়ুর গতিবিক্ষেপ ঘটে। ফলে বায়ুর চাপ ও ঘনত্ব উভয়ই হ্রাস পায়। নিরীক্ষয় অঞলে আবর্তনের বেগ বেশি থাকায় বায়ুর বেশি গতিবিক্ষেপ ঘটে বলে স্থায়ী নিম্নচাপ বলয় সৃষ্টি হয়েছে।

উষ্ণতাঃ বায়ুর উয়তার পরিবর্তন হলে বায়ুর আয়তন ও ঘনত্বের পরিবর্তন হয়। ফলস্বরূপ চাপেরও পরিবর্তন হয়। অর্থাৎ বায়ু উত্তপ্ত হলে বায়ুর অনুগুলি গতিশীল হয়ে পরস্পর থেকে দুরে সরে যায়। ওই উয় বায়ু হালকা ও প্রসারিত হয়ে ওপরে উঠে যায় এবং এর চাপও কমে যায়। আবার উত্মতা কম হলে বা বায়ু শীতল হলে সংকুচিত হয় বলে বায়ুর ঘনত্ব বেড়ে যায় এবং চাপও বেশি হয়।

প্রশ্নঃ বিভিন্ন প্রকার নিয়ত বায়ুর গতিপ্রকৃতির ব্যাখ্যা দাও।

উত্তরঃ পৃথিবীতে ৭টি স্থায়ী বায়ুচাপ বলয়ের ওপর ভিত্তি করে তিনপ্রকার নিয়ত বায়ু প্রবাহিত হয় - 

(ক) আয়ন বায়ু  

(খ) পশ্চিমা বায়ু

(গ) মেরু বায়ু

(ক) আয়ন বায়ুঃ কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয়দ্বয় থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে উভয় গোলার্ধে যে বায়ু প্রবাহিত হয় তা হল আয়ন বায়ু। ফেরেলের সূত্রানুসারে উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যথাক্রমে উত্তর–পূর্ব আয়ন বায়ু ও দক্ষিণ–পূর্ব আয়ন বায়ু রূপে বয়ে যায়।

জলবায়ুর ওপর প্রভাবঃ (১) এই বায়ুর প্রভাবে ক্রান্তীয় মণ্ডলে মহাদেশের পূর্বে প্রবল বৃষ্টি হয় এবং পশ্চিম অংশ বৃষ্টিহীন থাকে বলে মরুভূমির সৃষ্টি হয়েছে। (২) নিরক্ষীয় অঞ্চলে এই বায়ুদ্বয় মিলিত ও ঊর্ধ্বমুখী হয়ে প্রবল বৃষ্টি ঘটায়। 

(খ) পশ্চিমা বায়ুঃ কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয়দ্বয় থেকে মেরুবৃত্ত প্রদেশীয় উচ্চচাপ বলয়দ্বয়ের দিকে উভয় গোলার্ধে যে বায়ু বয়ে যায় তা হল পশ্চিমা বায়ু। ফেরেলের সূত্রানুসারে এই বায়ু বেঁকে উত্তর গোলার্ধে দক্ষিণ–পশ্চিম। পশ্চিমা বায়ু এবং দক্ষিণ গোলার্ধে উত্তর–পশ্চিম পশ্চিমা বায়ু রূপে প্রবাহিত হয়।

জলবায়ুর ওপর প্রভাবঃ (১) এই বায়ুপ্রবাহে উপক্রান্তীয় মণ্ডল মহাদেশের পশ্চিমে বৃষ্টি ও তুষারপাত ঘটে। (২) ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে শীতকালে এই বায়ু প্রবেশ করে বৃষ্টিপাত ঘটায়।

(গ) মেরু বায়ুঃ দুই মেরুদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ঙ্গয় থেকে মেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়দ্বয়ের দিকে প্রবাহিত বায়ু হল মের বায়ু। এই বায়ু ফেরেলের সূত্রানুসারে উত্তর গোলার্ধে উত্তর পূর্ব এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ–পূর্ব মেরু বায়ুরূপে প্রবাহিত হয়।

জলবায়ুর ওপর প্রভাবঃ (১) মেরু থেকে আগত অত্যন্ত শীত এই বায়ুর প্রভাবে শীতকালে কানাডা, সাইবেরিয়ায় শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়ে। 

(২) দক্ষিণ গোলার্ধে এই বায়ুর সাথে উন্ন–আর্দ্র সমুদ্র বায়ুর সংঘর্ষে ঘূর্ণবাতের উৎপত্তি ঘটে।

প্রশ্নঃ বিভিন্ন বৃষ্টির প্রক্রিয়া সংক্ষেপে লেখো।

উত্তরঃ ভূ-পৃষ্ঠীয় জলভাগ থেকে সৃষ্ট জলীয় বাষ্প বায়ুর সংস্পর্শে এসে হালকা হয়ে উপরে উঠে ক্রমশ সম্পৃক্ত হয়ে অতিরিক্ত শীতলতার সংস্পর্শে এসে ঘনীভূত হয়ে জলকনায় পরিনত হলে তা ফোঁটা ফোঁটা আকারে পৃথিবীর বুকে নেমে আসে, তখন তাকে বৃষ্টিপাত বলে।

(১) বৃষ্টিপাতের শ্রেণি বিভাগঃ বৃষ্টিপাতকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়, যথা -

পরিচলন বৃষ্টিপাতঃ পৃথিবীর যে সব অঞ্চলে জলভাগের পরিমান বেশি, সেই সব অঞ্চলে দিনের বেলায় প্রখর সূর্যতাপে জলীয় বাষ্প পূর্ন বায়ু পরিচলন পদ্ধতিতে হালকা হয়ে ওপরে উঠে প্রসারিত ও শীতল প্রথমে মেঘ এবং পরে বৃষ্টিরূপে নিচে নেমে আসে। এই ধরণের বৃষ্টিপাত কে পরিচলন বৃষ্টিপাত বলা হয়। 

     নিরক্ষীয় অঞ্চলে জলভাগের পরিমান বেশি থাকায় এবং এখানে সূর্য সারা বছর লম্ব ভাবে কিরন দেয় বলে, নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রতিদিন বিকেলের দিকে পরিচলন প্রক্রিয়ায় বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে।

(২) শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাতঃ জলীয় বাষ্প পূর্ন আর্দ্র বায়ু কোন উঁচু পর্বতে বাঁধা পেয়ে পর্বতের গাঁ বেয়ে ওপরে উঠে ওপরের শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঘনীভূত পর্বতের প্রতিবাত ঢালে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত বলে। এই ধরণের বৃষ্টিপাত সৃষ্টিতে শৈল অর্থাৎ পর্বত গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে বলে। একে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত বলা হয়ে থাকে।

(৩) ঘূর্নবাত জনিত বৃষ্টিপাতঃ ক্রান্তীয় অঞ্চলে সৃষ্ট ঘূর্নিঝরের সময় যে বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে তাকে ঘূর্নবাত জনিত বৃষ্টিপাত বলে। সাধারনত ক্রান্তীয় অঞ্চলে সূর্য তাপ জনিত কারণে কোন স্থানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হলে ওই নিম্নচাপ স্থানের বায়ু হালকা হয়ে ওপরে উঠে গেলে যে শূন্য স্থানের সৃষ্টি হয় তা পূরন করার জন্য পার্শ্ববর্তী উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে শীতল বায়ু সেই নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে কুণ্ডলীর আকারে ঘুরতে ঘুরতে প্রবল বেগে ওপরে উঠে শীতল ও ঘনিভূত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায়। এই ধরণের বৃষ্টিপাত কে ঘূর্নবাত জনিত বৃষ্টিপাত  বলে। এই ধরণের বৃষ্টিপাতের ক্ষেত্রে কিউমুলোনিম্বাস মেঘের সৃষ্টি হয় এবং প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।

Madhyamik Geography Suggestion 2023

     মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন 2023. Geography Suggestion 2023 Madhyamik. Class 10 geography suggestion 2022. Madhyamik Suggestion 2023 Bengali. 2023 Madhyamik Suggestion Life Science. Madhyamik Suggestion 2023 PDF. মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান সাজেশন 2022. মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন 2023. মাধ্যমিক সাজেশন 2023 pdf. Madhyamik Geography Notes PDF. সংলাপ সাজেশন. Wbbse class 10 geography chapter 5 question answer in bengali. উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2023. Class 10 geography suggestion 2022. ভূগোল সাজেশন 2022.


West Bengal Madhyamik Geography Suggestion 2023 Download

     WBBSE Madhyamik Geography short question suggestion 2023. পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক  ভূগোল পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্ন উত্তর ও শেষ মুহূর্তের সাজেশন ডাউনলোড. Madhyamik Geography Suggestion 2023  download. Madhyamik Question Paper Geography. মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার জন্য সমস্ত রকম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন. WB Madhyamik 2023 Geography suggestion and important questions. Madhyamik Suggestion 2023 pdf.


মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন ২০২৩ দ্বিতীয় অধ্যায় বায়ুমন্ডল

     মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2023 PDF. মাধ্যমিক ভূগোল প্রশ্ন উত্তর. মাধ্যমিক সাজেশন 2023. মাধ্যমিক ভূগোল pdf. ভূগোল দ্বিতীয় অধ্যায়. মাধ্যমিক ভূগোল প্রশ্ন 2022 pdf. দশম শ্রেণীর ভূগোল প্রশ্ন ও উত্তর pdf. উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2022.


মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2023 pdf

     উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2023. মাধ্যমিক সাজেশন 2023. সংলাপ সাজেশন. মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন 2023. মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন 2022 pdf. মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান সাজেশন 2022 pdf download. ইতিহাস সাজেশন 2022 মাধ্যমিক. মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2023 PDF. উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2023. মাধ্যমিক সাজেশন 2023. মাধ্যমিক সাজেশন 2023 pdf. মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান সাজেশন 2023. মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান সাজেশন 2022 pdf download. মাধ্যমিক ভূগোল প্রশ্ন উত্তর. মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন 2023.


Madhyamik Suggestion 2023 Geography

     West Bengal Madhyamik 2023 Geography Suggestion Download in Bengali version. WBBSE Madhyamik Geography suggestion 2023 pdf version as per New syllabus. মাধ্যমিক ২০২৩ ভূগোল সাজেশন. Get the complete Madhyamik Geography Suggestion 2023 with approx 90% Common in Examination. WBBSE Class 10th Geography exam notes and Important questions. Madhyamik 2023 Geography Suggestion pdf download. Madhyamik Scientific Suggestion in New Syllabus.


দ্বিতীয় অধ্যায় বায়ুমন্ডল

     বায়ুমণ্ডল অধ্যায়. মাধ্যমিক ভূগোল বায়ুমণ্ডল. দশম শ্রেণীর ভূগোল দ্বিতীয় অধ্যায় বড় প্রশ্ন উত্তর. দশম শ্রেণির ভূগোল mcq. নবম শ্রেণীর ভূগোল দ্বিতীয় অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর. দশম শ্রেণির ভূগোল তৃতীয় অধ্যায়. দশম শ্রেণির ভূগোল চতুর্থ অধ্যায়. দশম শ্রেণির ভূগোল প্রথম অধ্যায়.


মাধ্যমিক ভূগোল প্রশ্ন উত্তর 2023

     ক্লাস 10 ভূগোল প্রশ্ন উত্তর. মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2023 PDF. দশম শ্রেণীর ভূগোল প্রশ্ন ও উত্তর pdf. দশম শ্রেণীর ভূগোল দ্বিতীয় অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর. দশম শ্রেণীর ভূগোল প্রশ্ন ও উত্তর 2022. মাধ্যমিক ভূগোল pdf. মাধ্যমিক সাজেশন 2023. মাধ্যমিক ভূগোল বায়ুমণ্ডল.


Madhyamik Geography Notes PDF

     মাধ্যমিক ভূগোল প্রশ্ন উত্তর. মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2023 PDF. Geography suggestion 2022 hs. Wbbse class 10 geography chapter 5 question answer in bengali. মাধ্যমিক সাজেশন 2023 pdf. Madhyamik Geography Suggestion 2022 PDF free download. WBBSE Class 10 Geography Chapter 5 question Answer in English. WBBSE Class 10 Geography Chapter 1 question Answer in English.


মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন ২০২৩ দ্বিতীয় অধ্যায়

      মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2023 PDF. মাধ্যমিক ভূগোল প্রশ্ন উত্তর. মাধ্যমিক সাজেশন 2023. মাধ্যমিক ভূগোল pdf. উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন 2022. মাধ্যমিক ভূগোল পঞ্চম অধ্যায়. মাধ্যমিক ভূগোল বায়ুমণ্ডল. মাধ্যমিক ভূগোল প্রশ্ন 2022.

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

LightBlog

Below Post Ad

LightBlog

AdsG

close