Type Here to Get Search Results !

Class 9 Bengali Model Activity Compilation / Class 9 Model Activity Task Part 8 Bengali Marks 50

 বাংলা (প্রথম ভাষা)

নবম শ্রেণি

পূর্ণমান - ৫০


১. ঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো :


১.১ ঈশান হলো -

ক) উত্তর-পূর্ব-কোণ

খ) উত্তর-পশ্চিম কোণ

গ) দক্ষিণ-পূর্ব কোণ

ঘ) পশ্চম কোণ

উত্তরঃ ক) উত্তর-পূর্ব-কোণ


১.২ 'আজ আমার সংসার চলবে কীভাবে?' - প্রশ্নটি করেছে

ক) সূচক

খ) জানুক

গ) ধীবর

ঘ) রাজশ্যালক

উত্তরঃ গ) ধীবর


১.৩ 'বন্ধুগণ হাসবেন না।' - একথা বলেছে -

ক) ইলিয়াস

খ) শাম-শেমাগি

গ) মহম্মদ শা

ঘ) মহম্মদ শার জনৈক আত্মীয়

উত্তরঃ ক) ইলিয়াস


১.৪ 'মাস্টারমশাইয়ের কাছ থেকে এইটুকুই আমার নগদ লাভ।' বক্তার লাভ হয়েছিল

ক) পাঁচ টাকা

খ) দশ টাকা

গ) পনেরো টাকা

ঘ) কুড়ি টাকা

উত্তরঃ খ) দশ টাকা


১.৫ 'নোঙর' কবিতাটি যে কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত -

ক) কুসুমের মাস

খ) সাদা মেঘ কালো পাহাড়

গ) পাতাল কন্যা

ঘ) ছায়ার আলপনা

উত্তরঃ খ) সাদা মেঘ কালো পাহাড়


২. কম-বেশি ১৫টি শব্দের মধ্যে উত্তর লেখো :


২.১ '...... প্রজা চমকিত।' - প্রজা চমকিত কেন?

উত্তরঃ বিধ্বংসী ঝড়বৃষ্টির তান্ডবে কলিঙ্গদেশে সমগ্র প্রকৃতি ধুলোয় ঢেকে যায় এবং শস্যখেতের ফসল নষ্ট হওয়ায় প্রজা চমকিত হয়।


২.২ 'ধীবর - বৃন্তান্ত' নাট্যাংশে ধীবরের বাড়ি কোথায়?

উত্তরঃ "ধীবর-বৃত্তান্ত" নাট্যাংশে উল্লেখিত ধীবরের বাড়ি শক্রাবতারে।


২.৩ 'ইলিয়াস তো ভাগ্যবান পুরুষ' - কারা একথা বলত?

উত্তরঃ ইলিয়াসকে ভাগ্যবান বলতো ইলিয়াসের প্রতিবেশীরা।


২.৪ 'মনে এল মাস্টারমশাইয়ের কথা।' - কখন এমনটি ঘটেছে?

উত্তরঃ কথকের মনে মাস্টার মশাইয়ের কথা এসেছিল যখন একটি পত্রিকার পক্ষ থেকে ছেলেবেলার গল্প লেখার ফরমাশ এসেছিল।


২.৫ '...... বিরামহীন এই দাঁড় টানা।' - কবি দাঁড় টানাকে 'বিরামহীন' বলেছেন কেন?

উত্তরঃ কবির দাঁড় টানাকে বিরামহীন বলা হয়েছে কারন কবির এগিয়ে যাওয়ার ইচ্ছেটা কখনোই ফুরিয়ে যায় না।


২.৬ 'হিন্দি উপস্থিত সেই চেষ্টাটা করেছেন' - কোন্‌ চেষ্টার কথা প্রাবন্ধিক বলেছেন?

উত্তরঃ সাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলীর রচিত ‘নব নব সৃষ্টি’ শীর্ষক প্রবন্ধ থেকে উদ্ধৃতাংশটি গৃহীত। ভাষার নিজস্বতা হল আত্মনির্ভরশীল থাকা ৷ কিন্তু লেখক দেখেছেন ভাষার মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন ভাষার প্রবেশ অব্যাহত। সেই প্রবেশ বন্ধ করার বিষয়ে হিন্দি সাহিত্যিকদের চেষ্টার কথা প্রাবন্ধিক বলেছেন।


২.৭ 'এরই মাঝে বাংলার প্রাণ' - কবি কোথায় বাংলার প্রাণের সন্ধান পেয়েছেন?

উত্তরঃ কবি জীবনানন্দ দাশ গ্রামবাংলার এক সন্ধে নামার মুহূর্তকে কবিতায় তুলে ধরেছেন বাংলার নরম ধানের গন্ধ, কলমি,চাঁদা - সরপুঁটিদের মৃদু ঘ্রাণ, হাঁসের পালক, শর, পুকুরের জল, কিশোরীর চাল ধোয়া ভিজে শীতল হাত, কিশোরের পায়ে দলা মুথাঘাস আর লাল লাল বঁট ফলের ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতার মধ্যে কবি বাংলার প্রাণের স্পন্দন খুঁজে পেয়েছেন।


২.৮ 'এখন আমার দৃঢ় বিশ্বাস হয়েছে' - পত্রলেখকের দৃঢ় বিশ্বাসটি কী?

উত্তরঃ স্বামী বিবেকানন্দের দৃঢ় বিশ্বাস হয়েছে যে, ভারতের কাজে মিস নোবল্ - এর এক বিরাট ভবিষ্যৎ রয়েছে৷


২.৯ 'যা গিয়ে ওই উঠানে তোর দাঁড়া' - সেখানে গিয়ে দাঁড়ালে কোন্‌ দৃশ্য দেখা যাবে?

উত্তরঃ কবি নীরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তীর লেখা কবিতা আবহমান এ উঠানে দাঁড়ালে দেখা যায় নানান লতানো গাছের মাচা, নানান ফুলের গাছ, প্রকৃতির রূপ, দিনের সূচনা ও সন্ধ্যার আগমন ইত্যাদি।


২.১০ 'তোমার বাড়ি কোথায়?' - রাধারাণী এই প্রশ্নের উত্তরে কী বলেছিল?

উত্তরঃ রাধারানী গল্পে অজানা অচেনা লোকটি বাড়ি কোথায় প্রশ্ন করলে তাঁর উত্তরে জানায় সে শ্রীরামপুরে থাকে।


৩. প্রসঙ্গ নির্দেশসহ কম-বেশি ৬০টি শব্দের মধ্যে উত্তর লেখো :


৩.১ 'আমার বাণিজ্য -তরী বাঁধা পড়ে আছে'। - কোন্‌ বাণিজ্য-তরী? সেটি বাঁধা পড়ে আছে কেন?

উত্তরঃ বাণিজ্য ও ব্যবসার সঙ্গে লাভ-লোকসানের বিষয়টি জড়িয়ে রয়েছে। জীবিকার জালে আটকে পড়েছে আমাদের জীবন। প্রাচীন ও মধ্যযুগের সওদাগর বানিজ্যতে নিয়ে পাড়ি দিতে দূর দেশে। পণ্যের আমদানি রপ্তানি সঙ্গে সংস্কৃতির আদান-প্রদান চলত। খুবই সাধারণ সওদাগর নন তাই তার চরিত্রে রয়েছে সাহিত্য সম্ভার। সেই স্বপ্ন কল্পনা সাহিত্য ভরা-তরী নিয়ে কবি পাড়ি দিতে চান সাত সমুদ্র পাড়ে। দূর-দূরান্তে ছড়িয়ে দিতে চান তাঁর সৃষ্টিকে। তাই এখানে বাণিজ্য তৈরীর প্রসঙ্গ এসেছে।


৩.২ 'সংস্কৃত ভাষা আত্মনির্ভরশীল।' - প্রাবন্ধিক কেন এমন মন্তব্য করেছেন?

উত্তরঃ ভাষার আত্মনির্ভরশীলতা তার সম্বৃদ্ধ শব্দ ভান্ডার এর উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। লেখক মুজতবা আলী সংস্কৃত ভাষার এই সমৃদ্ধ শব্দভাণ্ডারকে লক্ষ্য করেছিলেন। কোন নতুন চিন্তা অনুভূতি বিষয়কে প্রকাশ করতে হলে সংস্কৃত ভাষাকে অন্য ভাষার শব্দভাণ্ডার থেকে শব্দ ধার করার প্রয়োজন হয় না। কারণ সে তার নিজের শব্দভাণ্ডার থেকেই প্রয়োজনীয় শব্দ বা ধাতুর পেয়ে যায়, তার মানে এই নয় যে বিদেশি শব্দ কখনোই গ্রহণ করেনি। সামান্য যেটুকু গ্রহণ করেছে তাতে সমস্কৃত ভাষার মানহানি হবার কোন সম্ভাবনা থাকেনা। তাই লেখক সংস্কৃত ভাষাকে আত্মনির্ভরশীল বলেছেন।


৩.৩ 'আমি এই ঘাসে বসে থাকি' - কোন্‌ সময়ে কবি ঘাসে বসে থাকেন? তখন প্রকৃতির কেমন রূপ তাঁর চোখে ধরা পড়ে?

উত্তরঃ সন্ধ্যার সময় কবি ঘাসে বসে থাকেন। কবির চোখে তার অতি প্রিয় রূপসি বাংলা সন্ধ্যার সময় যে রূপে ধরা দিয়েছে তাকেই তিনি শব্দের জাদুতে প্রকাশ করেছেন। সবে যখন সূর্য অস্ত গিয়ে আকাশে দেখা দিয়েছে সপ্তর্ষিমণ্ডল তখন অস্তরাগের শেষ আভায় টুকটুকে লাল মেঘ বিলীন হয় সাগরজলে। দিন আর রাত্রির সেই সন্ধিক্ষণে কবির মনে হয় যেন এক এলোকেশী কন্যা দেখা দিয়েছে বাংলার নীল আকাশে। মাটির বুকে ধীরে ধীরে নেমে আসা অন্ধকার যেন সেই মেয়ের ছড়িয়ে পড়া কালো চুলের রাশি। কবি তাঁর চোখ-মুখ-নাক অর্থাৎ ইন্দ্ৰিয় দিয়ে অনুভব করেন সেই ঘনিয়ে আসা আঁধারকে। শুধু চোখ বা ত্বক দিয়ে নয় কবি গন্ধ দিয়েও অনুভব করেন সন্ধ্যাকে।


৩.৪ 'নটেগাছটা বুড়িয়ে ওঠে, কিন্তু মুড়য় না।' - উদ্ধৃতাংশে নটেগাছের প্রসঙ্গ উন্থাপনে 'আবহমান' কবিতায় রূপকথা'র আবেশ কীভাবে রচিত হয়েছে, বিশ্লেষণ করো।

উত্তরঃ উদ্ধৃতাংশটি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর ‘আবহমান’ কবিতার অংশ বিশেষ। লোককাহিনির গল্প শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নটে গাছটি মুড়িয়ে যায়। তবে কবিতায় নটে গাছটি মুড়িয়ে যায় না, কিন্তু বুড়িয়ে যায়। অর্থাৎ একটা চিরন্তন প্রবহমানতার কথা এখানে ফুটে উঠেছে। কালের নিয়মে মানুষ শৈশব থেকে বার্ধক্যে উপনীত হলেও তার প্রকৃতিলালিত আজন্ম-চেনা উঠান-লাউমাচা-কুন্দফুল সাধ্য নদীর হাওয়ায় পরিপূর্ণ মাতৃভূমির স্বরূপ; কখনও স্মৃতিপট থেকে মুছে যায় না। তাই ব্যক্তির বার্ধক্য যে শৈশবস্মৃতিকে নষ্ট করতে পারে না তা বোঝাতেই এমন উক্তি।


৩.৫ '... আর আহারের সংস্থান রহিল না।' - রাধারাণী ও তার মায়ের দুর্গতির চিত্র 'রাধারানী' পাঠ্যাংশে কীভাবে চিত্রিত হয়েছে, তা উদ্ধৃতাংশের আলোকে আলোচনা করো।

উত্তরঃ 'রাধারাণী' পাঠ্যাংশে দেখা যায়, একজন জ্ঞাতির সঙ্গে সম্পত্তি নিয়ে মামলায় রাধারাণীর বিধবা মা হাইকোর্টে হেরে যায়। জ্ঞাতি ডিক্রি জারি করে। তাদের পিতৃপুরুষের ভিটে থেকে উচ্ছেদ করে দশ লক্ষ টাকার সম্পত্তির দখল নেয়। খরচ এবং পাওনা শোধ করতে বাকি সব অর্থ চলে যায়। ফলে তাদের খাবার জোগাড়ের অবস্থা আর থাকেনা।


৪. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো (কম-বেশি ১৫০ শব্দ) :


৪.১ নিরবধি সাতদিন বৃষ্টি নিরন্তর।' - এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় কলিঙ্গবাসীর জীবনকে কীভাবে বিপন্ন করে তুলেছিল তা আলোচনা করো।

উত্তরঃ চন্ডীমঙ্গলের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী রচিত অভয়ামঙ্গল থেকে নেয়া কলিঙ্গদেশে ঝড় বৃষ্টি কাব্যাংশটি কলিঙ্গদেশে প্রবল বৃষ্টি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

কলিঙ্গদেশে অবিরাম সাতদিনের বৃষ্টিপাতের সঙ্গে চলে ঘরের তান্ডব। সমগ্র দেশ জলে প্লাবিত হয় শস্য ক্ষেতের বিপুল ক্ষতি হয়। বৃষ্টিতে প্রজাতির ঘরবাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়ে। প্রবল বর্ষণের সঙ্গেই অসংখ্য শিল পরতে থাকে। ভাদ্র মাসের তালের মত বড় ছেলের আঘাতে ঘরের চাল ভেঙে যায়। দেবী চণ্ডীর আদেশে পবন পুত্র বীর হনুমান ঝড় উঠবে কলিঙ্গদেশ দূরে ধ্বংসলীলা চালান। তার দাপটে মঠ অট্টালিকা সব ভেঙে খান খান হয়ে যায়। দেবীর আদেশের নদনদী কলিঙ্গদেশের দিকে ধেয়ে আসে। বিরাট বিরাট ঢেউয়ের আঘাতে বাড়িঘর মাটিতে পড়ে যায়। জলে-স্থলে একাকার হয়ে গিয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। সাপ আশ্রয় হারিয়ে ফেলে ভেসে বেড়ায়। কলিঙ্গদেশের স্থলভূমি জলে পূর্ণ হয়। প্রজারা শঙ্কিত হয়ে পরিত্রান পাওয়ার জন্য ঋষি জৈমিনি স্মরণ করতে থাকে। ঘন কালো মেঘের আড়ালে সূর্য মুখ লুকায়। হলে প্রজাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়ে। সাতদিনের অবিরাম বৃষ্টি তে শংকিত ও বিপদগ্রস্ত কলিঙ্গদেশের প্রজাদের দুর্দশার চরমে ওঠে।


৪.২ 'চিঠি' অনুসরণে স্বামী বিবেকানন্দের বিদেশী ভক্ত ও অনুগামীদের পরিচয় দাও।

উত্তরঃ স্বামীজি চিঠিতে যে সমস্ত বিদেশি ও বিদেশিনীদের নাম উল্লেখ করেছেন তার মধ্যে প্রথমেই তিনি তাঁর শিষ্যা মিস নোবেল এর কথা লিখেছেন। তাঁকেই তিনি চিঠিটি লিখেছেন। মিস মার্গারেট ই নোবেল স্বামীজির কাছে দীক্ষা গ্রহণ করেন এবং তারই আদর্শে ভারতের নারীসমাজের কল্যাণে জীবন উৎসর্গ করেন। কলকাতার বাগবাজারে একটি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন। যেটির নাম ‘নিবেদিতা বালিকা বিদ্যালয়’। মিসেস সেভিয়ার সম্পর্কে স্বামীজি খুব প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, মিসেস সেভিয়ার খুবই স্নেহময়ী। তাঁর স্বামী ক্যাপটেন জে. এইচ. সেভিয়ার। এই সেভিয়ার দম্পতিই একমাত্র ইংরেজ যাঁরা এদেশীয়দের ঘৃণা করেন না। তবে এঁদের কোনো নির্দিষ্ট কার্যপ্রণালী নেই। স্বামীজির দুজন বন্ধু হলেন মিস ম্যাকলাউড ও বস্টনের মিসেস বুল। তাঁরা খুবই উপকারী। স্বামীজিকে নানান কাজে সাহায্য করেছেন ম্যাকলাউড, আর মিসেস বুল বেলুড় মঠ স্থাপনে অনেক অর্থ সাহায্য করেছেন। স্বামীজি তার একজন ইংরেজ ভক্ত মিঃ স্টার্ডির কথা বলেছেন। তিনি স্বামীজিকে ইংল্যান্ডে বেদান্ত প্রচারের কাজে সাহায্য করেছিলেন।


৫. নীচের প্রশ্নটির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো (কম-বেশি ১৫০ শব্দ) :


'কর্ভাস যে এখন সাধারণ কাকের থেকে নিজেকে আলাদা রাখতে চায়, তার স্পষ্ট প্রমাণ আজকে পেলাম।' - প্রোফেসর শঙ্কু কীভাবে সেই প্রমাণ পেয়েছেন?

উত্তরঃ সত্যজিৎ রায় রচিত 'কর্ডাস' গল্পে প্রোফেসর শঙ্কুর তৈরি 'অরনিথন' যন্ত্রের মাধ্যমে দু-সপ্তাহের মধ্যে কর্ভাসের শিক্ষায় অভাবনীয় উন্নতি ঘটেছিল। আর তারপর থেকেই সে নিজেকে অন্য সাধারণ কাকেদের থেকে আলাদা মনে করতে শুরু করে। একদিন দুপুরে হঠাৎ খুব বৃষ্টি শুরু হয়, সঙ্গে বিদ্যুৎ ও বজ্রপাত।

     তিনটে নাগাদ এক কান ফাটানো বাজ পড়ার শব্দ হলে প্রোফেসর শঙ্কু জানালার কাছে গিয়ে দেখেন তার বাগানের বাইরের শিমুল গাছটা থেকে ধোঁয়া বেরোচ্ছে। বিকেলে বৃষ্টি থেমে গেলে বাইরে কাকেদের প্রচণ্ড কোলাহল শোনা যায়। সে অঞ্চলের সব কাক ওই মরা গাছটার কাছে এসে কোলাহল করতে শুরু করে। প্রোফেসর তাঁর চাকর প্রহ্লাদকে ব্যাপারটা দেখতে পাঠালে, সে ফিরে এসে জানায় যে ওই গাছটার নীচে একটা কাক মরে পড়ে আছে। তাই কাকেরা এত চ্যাচাচ্ছে। বোঝা যায় ওই বাজ পড়ার ফলেই কাকটার মৃত্যু হয়েছে ।

     কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল- যেখানে কাকেরা এসে জড়ো হয়েছে, সেখানে কর্ভাস প্রোফেসরের ঘর থেকে বেরোনোর কোনোরকম কোনো আগ্রহ দেখায়নি। সে একমনে তখন পেনসিল দিয়ে 'প্রাইম নাম্বারস্' অর্থাৎ মৌলিক সংখ্যা লিখছিল। এই ঘটনায় প্রোফেসর শঙ্কু বুঝতে পারেন যে কর্ভাস নিজেকে সাধারণ কাকেদের থেকে আলাদা করে রাখতে চায়।


৬. নির্দেশ অনুযায়ী উত্তর দাও :


৬.১ ধাত্ববয়ব প্রত্যয়ের একটি উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ  চল্ (গমন করা) + ই (নীচ) = চালি


৬.২ মৌলিক শব্দ বলতে কী বোঝ?

উত্তরঃ যে শব্দকে বিশ্লেষণ করা যায় না তাকে মৌলিক শব্দ বলে। যেমন মা, ভাই, কান ইত্যাদি।


৬.৩ নবগঠিত শব্দকে কয়টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায় এবং কী কী?

উত্তরঃ বাংলা শব্দভাণ্ডারে নবগঠিত শব্দ আবার দু-প্রকার।

ক) মিশ্র বা সংকর শব্দ এবং

খ) অনুদিত শব্দ।


৬.৪ তামিল শব্দভান্ডার থেকে বাংলায় এসেছে এমন দুটি শব্দ লেখো।

উত্তরঃ তামিল শব্দভাণ্ডার থেকে বাংলায় এসেছে এমন দুটি শব্দ হল – চুরুট, পিলে (ছেলেপিলে)।


৬.৫ কাছের ব্যাক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করতে কোন্‌ সর্বনাম পদ ব্যবহৃত হয়?

উত্তরঃ কাছের ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করতে নির্দেশক সর্বনাম ব্যবহৃত হয়। যেমন- এটা রেখে দাও।


৭. ভাবসম্প্রসারণ করো :


'ধর্মের নামে মোহ এসে যারে ধরে

অন্ধ সে জন মারে আর শুধু মরে।'

উত্তরঃ মানুষের জীবনে কর্মের পাশাপাশি ধর্ম হল একটি বড় গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু যখন ধর্ম মানুষের মধ্যে মোহ সৃষ্টি করে তখন সে অন্ধের মত ধর্মের কুসংস্কার মেনে চলে। যার জন্য নিজের জীবনের পাশাপাশি অন্যের জীবনে তার প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করে।

     মানুষের মধ্যে আমাদের সমাজে ধর্ম একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কারণ মানুষ সব সময় ধর্ম নিয়ে বেশি সচেতন সে যেই ধর্ম হোক না। কখনো কখনো এই ধর্ম মানুষের মধ্যে এমন ভাবে প্রভাব বিস্তার করে যে সব সময় সব কিছুর মধ্যে ধর্ম খুঁজে। প্রাচীনকাল থেকে মানুষের মধ্যে ধর্ম নিয়ে নানান সংস্কার বিস্তার হয়ে আছে। মানুষ ধর্মের মধ্যে এমন ভাবে জর্জরিত হয়ে যায় যে সে অন্য কিছু বোঝার চেষ্টা করে না কেবলমাত্র ধর্ম ছাড়া। যার ফলে তার সেই ধর্মের অন্ধকার নিজের জীবনের পাশাপাশি অন্যের জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে।

     ধর্ম সম্পর্কে মানুষকে অন্ধ বিশ্বাসী না হয়ে সচেতন হতে হবে। জাতি ধর্মের মুহতার জীবনসহ অন্য কারো জীবন অন্ধকারাচ্ছন্ন না করে দেয়। তাই ধর্মকে ধর্ম হিসেবে নেওয়া উচিত তাকে অন্ধকারে নিয়ে যাওয়া কখনই উচিত নয়। আমাদের ব্যবহারিক জীবনকে সুস্থ এবং স্বাভাবিক করার জন্য ধর্মকে উপস্থাপন করা হয়েছে এটা কখনোই ভুলে গেলে চলবে না।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

2 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

LightBlog

Below Post Ad

LightBlog

AdsG

close