Type Here to Get Search Results !

কর্তার ভূত | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | একাদশ শ্রেণীর বাংলা সাজেশন ২০২৩ | WB Class 11 Bengali Suggestion 2023 WBCHSE

কর্তার ভূত

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

কর্তার ভূত | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | একাদশ শ্রেণীর বাংলা সাজেশন ২০২৩ | WB Class 11 Bengali Suggestion 2023 WBCHSE



১। নিচের বহু বিকল্প ভিত্তিক প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :


১.১ "তুমি গেলে আমাদের কি দশা হবে।" বক্তা হল - দেশসুদ্ধ সবাই

১.২ "শুনে তারও মনে দুঃখ হলো।" যার কথা বলা হয়েছে সে হলো - বুড়ো কর্তা

১.৩ "একদিক থেকে এ হাঁকে 'খাজনা দাও'।" এখানে 'এ' হলো - ভুতের পেয়াদা

১.৪ "মানুষের মৃত্যু আছে, ভূতের তো মৃত্যু নেই।" উক্তিটির বক্তা হলেন - দেবতা

১.৫ 'কর্তার ভূত' ছাড়া "লিপিকা" গ্রন্থের আরেকটি রচনার নাম - তোতা কাহিনী

১.৬ 'কর্তার ভূত' গল্পে 'অদৃষ্টির চালে চলা' বলতে লেখক বুঝিয়েছেন - অন্ধ সংস্কারে চলা

১.৭ "দেশের লোক ভারী নিশ্চিন্ত হল।" কখন - যখন দেবতার দয়ায় কর্তার ভূত হয়ে দেশবাসীর ঘরে চেপে থেকে ছিলেন।

১.৮ "কেবল অতি সামান্য কারণে একটা মুশকিল বাঁধলো।" কারণটি হল - পৃথিবীর অন্য দেশগুলোকে ভূতে পায়নি।

১.৯ "যেমন করে পারি ভূত তাড়াব।" উক্তিটির বক্তা হলেন - অর্বাচীনেরা

১.১০ "বেহুশ যারা তারাই পবিত্র, হুশিয়ার যারা তারাই অশুচি," উক্তিটির বক্তা হলেন - শিরোমনি- চূড়ামনির দল

২। নিচের অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :


২.১ মরণ কালে বুড়ো কর্তার দুঃখ হলো কেন?
উত্তর : মরণ কালে দেশসুদ্ধ সবাই তাকে জানিয়েছিল যে তিনি গেলে তাদের দশা খুব খারাপ হবে তাই এই কথা শুনে তার দুঃখ হয়েছিল।

২.২ "এইজন্য ভেবে পাওয়া যায় না" - কি ভেবে পাওয়া যায় না?
উত্তর : ভুতুড়ে জেলখানার দেওয়াল চোখে দেখা যায় না বলে সেটা ফুটো করে কিভাবে সেখান থেকে বেরোনো যায় তা ভেবে পাওয়া যায় না।

২.৩ "চিরকালই গর্ব করতে পারতো যে," - কোন গর্বের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর : এই দেশবাসীরা গর্ব করতে পারতো যে তাদের ভবিষ্যৎ পোষা ভেড়ার মত ভূতের খোঁটায় বাঁধা এবং সেই ভবিষ্যৎ ভ্যাঁ বা ম্যাঁ না করে চিরকাল চুপ করে মাটিতে পড়ে থাকে।

২.৪ "কিন্তু, বর্গী এলো দেশে।" কি কারনে এই পথটি ছড়াকার ব্যবহার করেছেন?
উত্তর : কবিতার ছন্দ মিলনের জন্য এবং ঐতিহাসিক সত্যকে বিকৃত না করেই উপরের লাইনটি ছড়াকার ব্যবহার করেছেন।

২.৫ রবীন্দ্রনাথ 'সনাতন ঘুম' বলতে কি বুঝিয়েছেন?
উত্তর : রবীন্দ্রনাথ সনাতন ঘুম বলতে পরিবর্তনহীন অন্ধ সংস্কারের ঘুমকে বুঝিয়েছেন।

২.৬ "কর্তা বলেন, সেখানেই তো ভূত।" - এই বক্তব্যের অন্তর্নিহিত অর্থ কি?
উত্তর : জনসাধারণের ভয়ের কারণেই দেশে ধর্মীয় সংস্কার এবং ধর্মতন্ত্র বাসা বেধে রয়েছে। সব ব্যাপারেই মানুষ দৈবের কাছে, গ্রহের কাছে, পরের কাছে হাত পাতিয়ে ভয়ে ভয়ে কাটায়।

২.৭ ভুতের জেলখানার বৈশিষ্ট্য কি ছিল?
উত্তর : রবীন্দ্রনাথের কর্তার ভূত রচনায় ভুতের জেলখানার বৈশিষ্ট্য ছিল সেই জেলখানার দেয়াল চোখে দেখা যেত না।

২.৮ "শ্মশান থেকে মশান থেকে ঝড়ো হাওয়ায় হাহা করে উত্তর আসে।" - কোন প্রশ্নের উত্তর আসে?
উত্তর : প্রশ্নের উত্তরটি হল "খাজনা দেব কিসে"।

২.৯ দেশের মানুষের খাজনা দেওয়ার সমস্যাটা কোথায়?
উত্তর : নানা জাতির বুলবুলি এসে ধান খেয়ে যাওয়ায় কি দিয়ে খাজনা দেবে তাই তারা ভেবে পায় না, তাই তাদের খাজনা দেওয়ার সমস্যা।

২.১০ "তোরা ছারলেই আমার ছাড়া"। এক্ষেত্রে ছাড়া বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর : দেশবাসী যদি ধর্মতন্ত্র এর শৃঙ্খল ছেড়ে বেরিয়ে আত্ম কর্তৃত্ব লাভ করতে পারে তাহলে প্রাচীন ধর্মতন্ত্রের আর কিছু বলারই থাকেনা এক্ষেত্রে এই ছাড়ার কথাই বলা হয়েছে।

(৩) নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাওঃ


প্রশ্ন : "কেননা ভবিষ্যৎ কে মানলেই তার জন্য যত ভাবনা, ভূতকে মারলে কোন ভাবনাই নেই;" - প্রসঙ্গ উল্লেখ করে উক্তিটি তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।
উত্তর : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কর্তার ভূত রচনা থেকে আলোচ্য উক্তিটি নেওয়া হয়েছে। এই গল্পে কর্তা মারা যাওয়ার সময় দেশের সমস্ত লোক তাকে জানালো যে তিনি চলে যাওয়ার পর তাদের অবস্থা আরো সঙ্গীন হয়ে পড়বে তারা অভিভাবকহীন হয়ে পড়বে। এ কথা শুনে মর্মাহত মৃত্যু পথযাত্রী বৃদ্ধ দেশের লোকদের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক দুশ্চিন্তা গ্রস্ত হয়ে পড়লেন। কিন্তু মৃত্যুকে তো কেউ এড়াতে পারে না। ভগবান তাই দয়াপরবশ হয়ে দেশবাসীকে জানালেন যে চিন্তার কিছু নেই মৃত্যুর পর কর্তা ভূত হয়েই দেশবাসীর ঘাড়ে চেপে থাকবেন। মানুষের মরণ থাকলেও ভূতের মৃত্যু নেই। ভূত দশাপ্রাপ্ত বুড়ো কর্তার অভিভাবকত্বের থেকে থাকায় নিশ্চয়তা পেয়ে তাই দেশবাসী নিশ্চিন্ত হল। দেশবাসীর এই চিন্তাহীনতার কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়েই লেখক এই উক্তিটির অবতারণা করেছেন যে, ভবিষ্যৎকে মানার ক্ষেত্রেই ভাবনাচিন্তার প্রশ্ন আছে কিন্তু ভূতকে মানার ব্যাপারে কোন ভাবনা থাকে না।
     আধুনিকতাকে মানতে গেলে সবকিছুই বিচার বিশ্লেষণ করতে হবে যুক্তিকে অগ্রাধিকার দিতে হয়। কিন্তু ভূতরূপী ধর্মতন্ত্রকে অন্ধভাবে মানলে তো কোন ভাবনাই থাকে না সব ভাবনাচিন্তা ধর্মতন্ত্র তথা অদৃষ্টবাদীর ওপর ন্যস্ত করে মানুষ দায়িত্বশূন্য হয়ে নিশ্চিন্ত হতে পারে। যদিও মানুষের উপকার বা অগ্রাহগতির কোন দায় এই ধর্মতন্ত্রের নেই।

প্রশ্ন : "অথচ তার মাথা নেই সুতরাং কারো জন্য মাথাব্যথাও নেই।" - কার সম্পর্কে কেন লেখক  একথা বলেছেন?
উত্তর : উক্তিটি বুড়ো কর্তা ভূত সম্পর্কে করা হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কর্তার ভূত রচনায় আমরা দেখি যে দেশবাসীকে নিশ্চিন্ত করতে দেবতা তাদের বলেন যে মৃত্যুর পর বুড়ো কর্তা ভূত হয়ে তাদের ঘাড়ে চেপে থাকবেন। প্রসঙ্গত লেখক বলেন যে, ভবিষ্যৎকে মানার ক্ষেত্রেই চিন্তাভাবনার প্রশ্ন আসে, কিন্তু ভূতকে মানার ক্ষেত্রে কোন দুশ্চিন্তা থাকেনা। সেক্ষেত্রে সব ভাবনাচিন্তা ভূতের উপরই থাকবে। এই প্রসঙ্গেই লেখক জানিয়েছেন যে, ভুতের মাথা নেই বলে কারো জন্য মাথাব্যথাও নেই।
     প্রকৃতপক্ষে আলোচ্য বাক্যটির একটি রূপক অর্থ আছে। ‌ ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দের "ইউরোপ যাত্রীর ডায়েরি"র ভূমিকায় রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন "আমাদের সেই সর্বাঙ্গসম্পন্ন প্রাচীন সভ্যতা বহুদিন হল পঞ্চত্ব প্রাপ্ত হয়েছে, আমাদের বর্তমান সমাজ তারই প্রেত যোনি মাত্র।" সুতরাং পঞ্চত্ব প্রাপ্ত সর্বজ্ঞসম্পন্ন প্রাচীন সভ্যতার প্রেতিই আমাদের সমাজকে বর্তমানে পরিচালিত করছে। প্রাচীন সভ্যতার প্রেস রুপি ধর্মতন্ত্রকে লেখক বলেছেন যে, তার মাথা নেই। ধর্মতন্ত্র অর্থাৎ ধর্ম শাস্ত্র ধর্মীয় সংস্কার ও লোকের আচার যেহেতু অপরিবর্তনীয় এবং ব্যক্তি নিরপেক্ষ তাই কোন ব্যাক্তি মানুষ বা কোন মানব গোষ্ঠীর প্রতি তার কোন দায়বদ্ধতা থাকেনা। তাই লেখক বলেছেন যে ভুতের মাথাব্যথাও নেই।

প্রশ্ন : "দেশের লোক ভারি নিশ্চিন্ত হলো।" - কিভাবে দেশের লোক ঘরে নিশ্চিন্ত হল?
উত্তর : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কর্তার ভূত রচনায় কর্তা ছিলেন দেশবাসীর অভিভাবক স্বরূপ। তিনি মারা যাওয়ার সময় দেশবাসী তাকে জানালো যে তিনি চলে গেলে তাদের অবস্থা ভীষণ সঙ্গীন হয়ে উঠবে। এ কথা শুনে মৃত্যু পথযাত্রী বৃদ্ধ দুঃখ পেলন। তিনি চলে যাওয়ার পরও দেশের লোক কিভাবে নিশ্চিন্ত থাকবে, তাই নিয়ে তিনি খুবই চিন্তিত হলেন। কিন্তু মৃত্যুকে তো কেউই এড়াতে পারে না। তাই সমাধান হিসেবে ভগবান জানালেন যে চিন্তার কিছু নেই মৃত্যুর পরে কর্তা ভূত হয়ে দেশবাসীর ঘাড়ে চেপে থাকবেন চিরকাল।
     কেননা মানুষের মৃত্যু হলেও প্রেতের যে মরণ নেই। এভাবেই পুরো কর্তার মৃত্যুর পর তার প্রেতের অভিভাবকত্বে করতে থাকায় নষনিশ্চয়তা পেয়ে দেশের লোক ভারে নিশ্চিন্ত হলো। আসলে যে মানুষ মনের দিক থেকে দুর্বল তারা কোনো না কোনো একটা অবলম্বন চায়। অভিভাবকহীন জীবন তাদেরকে অস্থির করে তোলে। অথচ তারা শান্তিতে বাস করতে চায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রিটিশ শাসনের ভারতবাসীর মেরুদণ্ডহীন অবস্থাকে স্পষ্ট করতে চেয়েছেন তার এই উক্তিটির মাধ্যমে।

প্রশ্ন : "তারা ভয়ংকর সজাগ আছে।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কর্তার ভূত ছোটগল্প থেকে সংকলিত এই উক্তিটিতে বিদেশীদের কথা বলা হয়েছে।
     ভূতগ্রস্ত ভারতবাসীর গল্প বলতে গিয়ে এই গল্পে বলা হয়েছে যে পৃথিবীর অন্য দেশগুলোকে ভূতে পায়নি। আমাদের দেশের ঘানি থেকে বেরোনো পেষণকারীর রক্ত ভূতের মাথার খুলিতে ঢোকাতেই ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া যে কাজে পোষণকারী তেজ ও শক্তি নির্গত হয়ে যায় বলে তা পেষণকারীকে ঠান্ডা ও নির্জীব করে তোলে। ‌ বিদেশের মানুষকে ভুলতে পারিনি বলে বিদেশীদের ঘানি থেকে কেবল তেলি বের হয়, পেষণকারীর রক্ত বা শক্তি নয়। সে তেল সেসব দেশের উন্নয়নের রথচক্রকে সচল করতেই ব্যবহৃত হয়। এই কারণেই ভূতে না পাওয়া বিদেশিরা শীতল হয়ে যায়নি তারা সজাগ আছে। তারা ধর্মতন্ত্রের মোহজালে আচ্ছন্ন না থাকায় বিদেশীরা তাদের সমাজ ও সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যায়। এই কারণেই বলা হয়েছে যে তারা অর্থাৎ বিদেশীরা ভয়ংকর সজাগ আছে।

প্রশ্ন : "একেই বলে অদৃষ্টের চালে চলা।" - কর্তার ভূত রচনা অবলম্বন করে এই অদৃষ্টের চালে চলার তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।
উত্তর : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কর্তার ভূত রচনায় আমরা দেখি যে কর্তা মারা গেলেও দেবতার দয়ায় তার ভূত দেশবাসীর ঘরে চেপে বসে রইলেন। বেশিরভাগ দেশবাসী এতে নিশ্চিন্ত হলেও কয়েকজন মানুষ এ ব্যাপারটা ভালো চোখে দেখলেন না। ফলে তারা ভূতের কানমলা খেলেন এবং নিরস্ত হলেন। অতঃপর দেশের লোক তাই ভূতে পাওয়া অবস্থায় চোখ বুঝে জীবন কাটাতে লাগলেন। দেশের তদজ্ঞানিরাও দেশবাসীর এই আচরণকে সমর্থন করলেন।
     দেশের তত্ত্ব জ্ঞান সম্পন্ন মানুষটা বলেন যে চোখ বুজে চলায় হল পৃথিবীর প্রতি প্রাচীন চলন এই চলনকেই বলে নিয়তির নিয়মে চলা। বিশ্ব সৃষ্টির প্রথম যুগে অন্ধ এককোষী জীবেরা তেমনভাবেই চলত ঘাস থেকে শুরু করে সমস্ত প্রকারের উন্নত বৃক্ষের মধ্যেই তেমনি চলার ইঙ্গিত তাই দেখতে পাওয়া যায়। এই কথাগুলির রূপকার্থ হলো এই যে ধর্মতন্ত্রকে অনুসরণ করে অন্ধের মত এগিয়ে চলায় মানুষের আদিম চলা। নিয়তির কাছে ভাগ্যের কাছে নিজের কর্তব্য বুদ্ধি এবং বিবেক-বুদ্ধিকে সঁপে দেওয়াই হল ধর্মতন্ত্র নির্দেশিত পথে প্রশ্নাতিত অন্ধ আনুগত্য নিয়ে চলা। এটি হলো অদৃশ্যের চালচলা এবং চোখ বুজে চলা যার কথা তত্ত্বজ্ঞানেরাও বলেছেন।

প্রশ্ন : "ওরে অবোধ, আমার ধরাও নেই, ছড়াও নেই, তোরা ছারলেই আমার ছাড়া।" - এখানে কে কাদের অবোধ বলেছেন? উক্তিটির তাৎপর্য আলোচনা কর।
উত্তর : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কর্তার ভূত গল্পে কর্তা ভূতগ্রস্ত দেশবাসীকে অবোধ বলে সম্বোধন করেছিলেন।
     গল্পের শেষ অংশে কর্তার এই কথাটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে। কর্তা মারা যাওয়ার পর দেশবাসী মনে করল যে কর্তা বহুৎ হয়ে তাদের ধরে রেখেছে। কর্তার অভিভাবকত্বের অনেক শান্তি অনুভব করলেও দেশের নবীন প্রজন্ম বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। এরকম অবস্থায় দেশের দু একজন মানুষ যারা দিনের বেলায় ভুতুড়ে নায়েবের ভয়ে মুখ খুলতে পারেনা গভীর রাতে কর্তার শরণাপন্ন হয়। কর্তাকে তারা জিজ্ঞাসা করে যে কখন তিনি ছাড়বেন। কর্তা দেশবাসীকে অভয় দিয়ে বলেন "তোরা ছাড়লেই আমার ছাড়া।"
     কর্তা সম্পূর্ণ বাস্তব কথাই বলেছেন। আসলে কর্তা তো তাদের ধরে রাখেনি বরং তারাই কর্তাকে ধরে রেখেছে। কর্তা অনেক আগেই গত হয়েছেন কিন্তু ধর্মতন্ত্রবাদী মানুষেরা নতুনের কাছে আত্মসমর্পণ করবে না বলেই কর্তার ভূতকে আঁকড়ে ধরে পড়েছিল। কর্তার ভূতের বাস্তব কোন অস্তিত্ব নেই, বাস্তব জ্ঞান বিমুখ, ধর্মভীরু মানুষের মনেই তার আধিপত্য। মনোবিজ্ঞান অনুসারে মানুষের ভয় থেকেই ভূতের জন্ম হয় এবং মানুষই তাকে পোষন করে। কর্তার ভূত প্রসঙ্গেই এই একই কথা প্রযোজ্য।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

LightBlog

Below Post Ad

LightBlog

AdsG

close