Type Here to Get Search Results !

West Bengal Class 9 Bengali Suggestion 2023 | নবম শ্রেণীর বাংলা সাজেশন ২০২৩ | চন্দ্রনাথ | তারাশঙ্কর গঙ্গোপাধ্যায়

চন্দ্রনাথ
তারাশঙ্কর গঙ্গোপাধ্যায়

West Bengal Class 9 Bengali Suggestion 2023 | নবম শ্রেণীর বাংলা সাজেশন ২০২৩ | চন্দ্রনাথ | তারাশঙ্কর গঙ্গোপাধ্যায়
West Bengal Class 9 Bengali Suggestion 2023 | নবম শ্রেণীর বাংলা সাজেশন ২০২৩ | চন্দ্রনাথ | তারাশঙ্কর গঙ্গোপাধ্যায়

বহু বিকল্প ভিত্তিক প্রশ্ন :


প্রশ্ন: 'চন্দ্রনাথের কথাই ভাবিতে ভাবিতে বাড়ি ফিরলাম' - বাড়ি ফিরছিলেন

(ক) নিশানাথ বাবু বাড়ি থেকে

(খ) হেড মাস্টার মশাই বোর্ডিং থেকে

(গ) হিরু স্কুল থেকে

(ঘ) নরেশ সার্কুলার রোডের সমাধিক্ষেত্র থেকে

উত্তর: (ঘ) নরেশ সার্কুলার রোডের সমাধিক্ষেত্র থেকে


প্রশ্ন: 'দিস ইজ ম্যাথম্যাটিকস'-ম্যাথম্যাটিকসটা হল,

(ক) একটা বিষয়

(খ) অনুপাতের আঙ্কিক নিয়ম

(গ) বিজ্ঞানের বিশেষ অধ্যায়

(ঘ) একের মূল্য কমে, সকলের কমবে

উত্তর: (খ) অনুপাতের আঙ্কিক নিয়ম


প্রশ্ন: 'চন্দ্রনাথ, হিরু, আমি সহপাঠী'-আমি হলো,

(ক) চন্দ্রনাথের দাদা

(খ) নিশা নাথ

(গ) স্কুলের সেক্রেটারি ভাইপো

(ঘ) নরেশ এই গল্পের কথক

উত্তর: (ঘ) নরেশ এই গল্পের কথক


প্রশ্ন: 'এ কামনা ও বোধহয় করিয়াছিলাম'-নরেশ কামনা করেছিল,

(ক) দাম্ভিকটা যেন ফেল হয়

(খ) স্কুলের সবাই যেন পাশ করে

(গ) চন্দ্রনাথ যেন ভালো রেজাল্ট করে

(ঘ) তার জন্য সাড়ে পাঁচশো কি তার বেশি ওঠে

উত্তর: (ক) দাম্ভিকটা যেন ফেল হয়


প্রশ্ন: 'সে তো আলোকিত প্রত্যক্ষের মধ্যে ফেরে না'-প্রত্যক্ষে ফেরে না,

(ক) বিগত দিন

(খ) চন্দ্রনাথ

(গ) আলোকিত দিবস

(ঘ) অতীতের অন্ধকার

উত্তর: (গ) আলোকিত দিবস


প্রশ্ন: 'চন্দ্রনাথ অসংকোচে বলিল'-আমি,

(ক) সেকেন্ড প্রাইজ রিফিউজ করেছি

(খ) তিনটে অংক খাতা থেকে টুকতে দিলাম

(গ) বিশ্বাস করতে পারিনি

(ঘ) জানি, স্কুলের অ্যাসিস্ট্যান্ট টিচার প্রশ্নপত্র ছাত্রের কাছে গোপন রাখে নি

উত্তর: (ক) সেকেন্ড প্রাইজ রিফিউজ করেছি


প্রশ্ন: 'চন্দ্রনাথের দাদার মুখ দিয়া কথা সরিতেছিল  না'-কারণ

(ক) একটা কষ্ট তাকে তাড়া করে বেড়াচ্ছিল

(খ) তিনি নীল নির্বিরোধী শান্ত প্রকৃতির মানুষ

(গ) তার কণ্ঠস্বর কাঁপিতেছিল

(ঘ) তিনি বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে ছিলেন

উত্তর: (খ) তিনি নীল নির্বিরোধী শান্ত প্রকৃতির মানুষ


প্রশ্ন: 'ভদ্রলোকের কণ্ঠস্বর একবার কাঁপিতে ছিল'-ভদ্রলোকটি হলো

(ক) স্কুলের অ্যাসিস্ট্যান্ট টিচার

(খ) স্কুলের হেডমাস্টার

(গ) স্কুলের সেক্রেটারি

(ঘ) নিশানাথ বাবু

উত্তর: (ঘ) নিশানাথ বাবু


প্রশ্ন: 'আজ থেকে তোমার সঙ্গে আমার আর কোনো সংস্রব রইল না।'-এ কথা বলেছিল

(ক) হিরু

(খ) স্কুলের সেক্রেটারি

(গ) নিশানাথ বাবু

(ঘ) স্কুলের হেডমাস্টার

উত্তর: (গ) নিশানাথ বাবু


প্রশ্ন: 'আজ থেকে আমরা পৃথক'-এ কথা বলেছিল

(ক) নিশানাথ বাবু

(খ) চন্দ্রনাথের বৌদি

(গ) হেডমাস্টার

(ঘ) হিরু

উত্তর: (ক) নিশানাথ বাবু


প্রশ্ন: 'তিনি নিশ্চয়ই এ উত্তর প্রত্যাশা করেন নাই।'-কে কেমন উত্তর পেয়েছিল?

(ক) নিশানাথ বাবু চন্দ্রনাথের সংযত নিরুচ্ছ্বসিত কন্ঠের উত্তর পেয়েছিল

(খ) চন্দ্রনাথ খুব সংযত উত্তর পেয়েছিল

(গ) বোর্ডিং এ মাস্টারমশাই কঠোর উত্তর পেয়েছিল

(ঘ) হেড মাস্টার মশাই খুব খারাপ উত্তর পেয়েছিল

উত্তর: (ক) নিশানাথ বাবু চন্দ্রনাথের সংযত নিরুচ্ছ্বসিত কন্ঠের উত্তর পেয়েছিল


প্রশ্ন: 'হিরুর বাড়িতে প্রতি ভোজনের নিমন্ত্রণ পাইলাম'-প্রতিভোজের নিমন্ত্রণ

(ক) হিরুর কাকা শৌখিন ধনী সন্তান তাই

(খ) চন্দ্রনাথের স্পেশাল প্রাইজের জন্য

(গ) হিরু স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য

(ঘ) চন্দ্রনাথের শ্রেষ্ঠত্বে সন্দেহ ছিল না তাই

উত্তর: (গ) হিরু স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য


প্রশ্ন: 'হীরুই সেবার ফার্স্ট হইয়াছিল'-হিরু,

(ক) চন্দ্রনাথের বন্ধু

(খ) নরেশের সহপাঠী

(গ) স্কুলের সেক্রেটারির ভাইপো

(ঘ) চন্দ্রনাথের সহপাঠী

উত্তর: (গ) স্কুলের সেক্রেটারি ভাইপো


প্রশ্ন: 'বিলেতে যেতে হবে আমাকে'-বিলেতে যেতে হবে,

(ক) চন্দ্রনাথ কে

(খ) হিরু কে

(গ) নিশানাথ বাবুকে

(ঘ) নরেশকে

উত্তর: (খ) হিরু কে


প্রশ্ন: 'বলে দিলাম, একান্ত দুঃখিত আমি, সে গ্রহণ করতে আমি পারিনা।'-কে কি গ্রহন করতে পারবেন না?

(ক) চন্দ্রনাথ স্পেশাল প্রাইজ গ্রহণ করতে পারবে না

(খ) প্রতিভোজ এর নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে পারবে না চন্দ্রনাথ

(গ) প্রস্তাব অপমানজনক তাই প্রাইস গ্রহণ করতে পারবে না

(ঘ) মাস্টারমশাই গুরুদক্ষিণা নিতে পারবেন না

উত্তর: (ক) চন্দ্রনাথ এসপেশাল প্রাইস গ্রহণ করতে পারবে না


অতি সংক্ষিপ্ত উত্তর ভিত্তিক প্রশ্ন :


প্রশ্ন: কোথা থেকে কি ভাবতে ভাবতে কথক বাড়ি ফিরছিলেন?

 উত্তর: সার্কুলার রোডের সমাধিক্ষেত্র থেকে বের হয়ে চন্দ্রনাথের কথা ভাবতে ভাবতে কথক বাড়ি ফিরছিলেন।


প্রশ্ন:"... আমার দিকে চিন্তা কুল নেত্রে চাহিয়া বসিয়া আছে।"-কে,কার দিকে তাকিয়ে বসে আছে?

উত্তর: গল্পকথক দেখেছিলেন সামনের দেয়ালে বড়ো আয়না টির মধ্যে তাঁরাই প্রতিবিম্ব তাঁর দিকে তাকিয়ে বসে আছে।


প্রশ্ন: কথকের জীবনে চন্দ্রনাথের স্মৃতি কিরূপ ছিল?

উত্তর: কথকের জীবনে চন্দ্রনাথ গভীর রাত্রির আকাশে বিচরণকারী কালপুরুষ নক্ষত্রের মতো ভাস্বর  ও প্রদীপ্ত হয়েছিল।


প্রশ্ন: চন্দ্রনাথের কপালে ত্রিশূল চিহ্ন কখন দেখা যায়?

উত্তর: চন্দ্রনাথ সামান্য উত্তেজিত হলেই রক্তের চাপ বেড়ে গিয়ে প্রবল হয়ে কপালের শিরা ফুটে উঠে ত্রিশূল চিহ্ন দেখা যায়।


প্রশ্ন: চন্দ্রনাথের সঙ্গে কালপুরুষ নক্ষত্রের কি সাদৃশ্য লেখক খুঁজে পেয়েছিলেন?

উত্তর: চন্দ্রনাথের আকৃতির সঙ্গে লেখক কালপুরুষ নক্ষত্রের খড়্গধারী বিশালকায় আকৃতির সাদৃশ্য খুঁজে পেয়েছিলেন।


প্রশ্ন: হেড মাস্টার মশাইয় কোথায় বসে থাকতেন?

উত্তর: স্কুলের বোর্ডিংয়ের ফটকের সামনে চেয়ার বেঞ্চের আসন পেতে হেডমাস্টারমশায় বসে থাকতেন।


প্রশ্ন:"... বলিতে পারি না..."-কার কি বলতে না পারার কথা বলা হয়েছে?

উত্তর: গল্পের কথক এবং তার সহপাঠী চন্দ্রনাথ, হিরু কিভাবে একই সময়ে ক্ষুদ্র এক গ্রামের মধ্যে এসে পড়েছিলেন তা কথা বলতে পারবেন না।


প্রশ্ন:"চিন্তাকুল বিমর্ষ নেত্রে আমাকে বলিলেন..."-কি বলার কথা বলা হয়েছে?

উত্তর: চন্দ্রনাথ কি বলে কথক নরেশকে তা জেনে নিতে বলেছেন চিন্তান্বিত হেড মাস্টার মশায়।


প্রশ্ন: দ্বিতীয় হওয়ার জন্য চন্দ্রনাথ পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছিল কেন?

উত্তর: চন্দ্রনাথ দ্বিতীয় পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছিল কারণ, এর আগে স্কুলের পরীক্ষায় সে কখনো দ্বিতীয় হয়নি।


প্রশ্ন: চন্দ্রনাথ পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছিল কেন?

উত্তর: চন্দ্রনাথ স্কুলের পরীক্ষায় দ্বিতীয় হয়ে দ্বিতীয় পুরস্কার গ্রহণ করবে না বলে তা প্রত্যাখ্যান করেছিল।


প্রশ্ন: চন্দ্রনাথ কোন ঘটনা প্রসঙ্গে 'বিনিথ মাই ডিগনিটি' কথাটি বলেছে?

উত্তর: চন্দ্রনাথ স্কুলের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সেকেন্ড প্রাইজ অর্থাৎ দ্বিতীয় পুরস্কার নেওয়ারকে

 'বিনিথ মাই ডিগনিটি' কথাটি বলেছে।


প্রশ্ন:"বোডিং এ আশিয়া মাস্টার মহাশয়কে সংবাদটা দিতে গিয়া দেখিলাম..."-কি দেখার কথা বলা হয়েছে?

উত্তর: কথক বোর্ডিং এ ফিরে এসে মাস্টার মহাশয়কে চিন্তিতভাবে তখনও ফটকের সামনে বসে থাকতে দেখেছিলাম।


প্রশ্ন: চন্দ্রনাথের দাদা কেমন ধরনের মানুষ ছিলেন?

উত্তর: চন্দ্রনাথের দাদা নিশানাথ বাবু ছিলেন নির্বিরোধী শান্ত প্রকৃতির মানুষ।


প্রশ্ন:"... এ ভালোই হলো।"-কিসের কথা বলা হয়েছে?

উত্তর: প্রশ্নোদ্ধৃত অংশে দাদার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ায় চন্দ্রনাথ সম্পত্তির ভাগ হয়ে যাওয়ার কথা বলেছে।


প্রশ্ন: চন্দ্রনাথ পরীক্ষার সময় হিরু কে কিভাবে সাহায্য করেছিল?

উত্তর: তিনটে অংক তার খাতা থেকে টুকতে দিয়ে সাহায্য করেছিল।


প্রশ্ন:"বোধ হয় সেদিন সে সময়ে ভাবিয়াছিলাম..."-কি ভেবেছিলেন?

উত্তর: চন্দ্রনাথ তার দাদার সঙ্গে পৃথক হওয়াকে ভালো হয়েছে বলায় কথা ভেবেছিলেন তার সঙ্গে সম্পর্ক রাখবেন না।


প্রশ্ন: চন্দ্রনাথের দাদা চন্দ্রনাথকে কি নির্দেশ দিয়েছিল?

উত্তর: চন্দ্রনাথের দাদা তাকে হেডমাস্টার মশায়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে পুরস্কার প্রত্যাখ্যান এর চিঠি ফিরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।


প্রশ্ন:"... তোমার বৌদি বলতো..."- বৌদি কি বলতেন?

উত্তর: চন্দ্রনাথের বৌদি তার দাদা নিশানাথ বাবুকে বলতেন যে চন্দ্রনাথ অত্যান্ত স্বাধীনচেতা হয়ে উঠেছে।


প্রশ্ন: চন্দ্রনাথের দাদাকে নতশিরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে কথক কি ভেবেছিলেন?

উত্তর: চন্দ্রনাথের ব্যবহারে ব্যথিত ভদ্রলোক আত্ম সংবরনের প্রবল চেষ্টা করেছেন।


প্রশ্ন: হিরু চন্দ্রনাথের কাছে কি প্রস্তাব নিয়ে এসেছিল?

উত্তর: হিরু চন্দ্রনাথের কাছে তার কাকা তথা স্কুলের সম্পাদকের চন্দ্রনাথকে বিশেষ পুরস্কার দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে এসেছিল।


প্রশ্ন: নুরুর লেখা কাগজে বেরিয়েছে শুনে মাস্টার মশাই তাকে লেখাটা দেখাতে বলেছিলেন এবং তিনি সেটা করবেন বলেও জানিয়েছিলেন।


প্রশ্ন:"কিন্তু একটি শুধু মেলে নাই..."-কি না মেলার কথা বলা হয়েছে?

উত্তর: চন্দ্রনাথ হিরুকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় পেছনে ফেলে এগিয়ে যাবে-চন্দ্রনাথের এই ভবিষ্যদবাণী না মেলার কথা বলা হয়েছে।


প্রশ্ন:"... এইটেই আমার কাছে আর স্মৃতি চিহ্ন।"-স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে কিসের কথা বলা হয়েছে?

উত্তর: হিরু তাকে উদ্দেশ্য করে চন্দ্রনাথের লেখা চিঠিটিকেই স্মৃতি চিহ্ন হিসেবে মনে করেছেন।


প্রশ্ন:"... বাড়ির পাশের আমবাগানটার সে শোভা আজও আমার মনে আছে।"-এস বা কিভাবে সৃষ্টি হয়েছিল?

উত্তর: চিনা লন্ঠন আর রঙিন কাগজের মালার বিন্যাসে হিরুর বাড়ির পাশে আম বাগানের শোভা তৈরি হয়েছিল।


প্রশ্ন: চন্দ্রনাথ তার চিঠিতে হিরুকে কি সম্বোধন করেছিল?

উত্তর: চন্দ্রনাথ তার চিঠিতে হিরুকে প্রথম 'প্রিয়বরেষু' লিখলেও পরে সেটি কেটে 'প্রীতিভাজনেষু' লিখেছিল।


প্রশ্ন: হিরুর বিলেতে যাওয়ার প্রয়োজন হয়েছিল কেন?

উত্তর: আইসিএস পড়ার জন্য হিরুর বিলেতে যাওয়ার প্রয়োজন হয়েছিল।


প্রশ্ন: কালপুরুষ নক্ষত্র কোথায় কার সঙ্গে চলেছে?

উত্তর: গল্পকথকের কল্পনায় রাতের জনহীন পথে কিশোর চন্দ্রনাথের সঙ্গে সঙ্গে কালপুরুষ নক্ষত্র চলেছে।


প্রশ্ন:"মাস্টার মহাশয়ের ওইটুকু এক বিশেষত্ব..."-এখানে কোন বিশেষত্বের কথা বলা হয়েছে?

উত্তর: ছাত্র স্কুলের তথা মাস্টারমশাইয়ের অধিকারের গণ্ডি অতিক্রম করলে তিনি আর তাকে 'তুই'না বলে 'তুমি' সম্মোধন করে।


প্রশ্ন:'চন্দ্রনাথ' গল্পের কথক নুরুর প্রতি মাস্টারমশাইয়ের পরামর্শ কি ছিল?

উত্তর: মাস্টারমশাই কথক নুরুকে সাহিত্যচর্চা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেছিলেন যে পাড়ার সময়ে সাহিত্যচর্চা কম করতে।


(৩) নিচের ব্যাখ্যাভিত্তিক প্রশ্নগুলির উত্তর দাওঃ


প্রশ্নঃ 'তাঁহাকে অকপতেই সমস্ত বলিলাম' - কার কথা বলা হয়েছে? তাঁকে কী বলা হয়েছিল?

উত্তরঃ স্কুলের হেড মাস্টারমশায়ের কথা বলা হয়েছে।

     চন্দ্রনাথের কথাই গল্পকথক অকপটে মাস্টারমশাইকে বলেছিল। মাস্টারমশাই জেনেছিলেন চন্দ্রনাথের আচরণের অর্থাৎ সেকেন্ড প্রাইজ রিফিউজ করে লেখা চিঠিটি প্রত্যাখ্যান না করায় তার দাদা নিশানাথবাবু ভাইকে পৃথক করে দিয়েছিলেন। এইসব কথাই অকপটে মাস্টারমশাইকে বলেছিল নরেশ।


প্রশ্নঃ 'অসাধারণ তাহার মুখাকৃতি' - কার মুখের কথা বলা হয়েছে? তার মুখশ্রীটি কেমন?

উত্তরঃ চন্দ্রনাথের মুখের কথা বলা হয়েছে।

     চন্দ্রনাথের দেহ সবল সুস্থ। আকৃতি দীর্ঘাকার। চোখের দৃষ্টি নির্ভীক। মুখশ্রীর মধ্যে প্রথমেই চোখে পড়ে তার অদ্ভুত মোটা নাক। খুব সামান্য উত্তেজনাতেই তা স্ফীত হয়ে ওঠে। বড়ো বড়ো চোখ, চওড়া কপাল আর সেই কপালের ঠিক মাঝখানে শিরায় রচিত ত্রিশূল চিহ্ন। কিশোর বয়সেও ললাটের মাঝখানে ত্রিশূল চিহ্ন মোটা হয়ে ফুটে ওঠে।


প্রশ্নঃ 'হীরুই সেবার ফার্স্ট হইয়াছিল' - হীরু কে? সে কীভাবে ফার্স্ট হয়েছিল লেখো।

উত্তরঃ নরেশ, চন্দ্রনাথ ও হীরু সহপাঠী ছিল। হীরু হল স্কুলের সেক্রেটারির ভাইপো।

     চন্দ্রনাথ বলেছিল, হীরু তার সাহায্যেই ফার্স্ট হয়েছে। ওর প্রাইভেট মাস্টার যে যে স্কুলেরও অ্যাসিস্ট্যান্ট টিচার। কাজেই প্রশ্নপত্রটি হীরুর কাছে তিনি লুকিয়ে রাখেননি। এছাড়া খাতা দেখার সময় উত্তর বিচারের ক্ষেত্রেও তিনি ইচ্ছাকৃত ভুল করেছেন। অঙ্কের পরীক্ষার দিন সে চন্দ্রনাথের কাছে মিনতি করলে তার খাতা থেকে তিনটি অঙ্ক টুকেছিল হীরু। মাস্টারমশাই বলে দেওয়া সত্ত্বেও তার মনে ছিল না সেকথা। এইরকমভাবেই হীরু স্কুলের পরীক্ষায় প্রথম হয়েহিল। নিজের যোগ্যতায় হয়নি। 


প্রশ্নঃ 'তবু সে চলিয়াছে' - কার চলার কথা বলা হয়েছে? তার চলার সঙ্গে কার তুলনা করা হয়েছে?

উত্তরঃ নরেশের সহপাঠী চন্দ্রনাথের চলার কথা বলা হয়েছে।

     চন্দ্রনাথের জীবন-ইতিহাসের সবটুকুই মহাকালের পাতায় রাত্রির মধ্যগগনচারী কালপুরুষ নক্ষত্রের চলার সঙ্গে তুলনীয়। কালপুরুষ নক্ষত্রের মতোই তার দীপ্তি। চন্দ্রনাথের বলিষ্ঠ উন্নত চরিত্র, নির্ভীক দৃষ্টির সঙ্গে কালপুরুষের খড়্গধারী আকৃতির একটা আশ্চার্য সাদৃশ্য আছে। কালপুরুষের মতোই দৃপ্ত ভঙ্গিতে সে আপনার জীবনের কক্ষপথেও যাত্রা করে চলেছে।

প্রশ্নঃ 'উৎসবের বিপুল সমারোহ সেখানে' - উৎসবের সমারোহ কোথায়? কেন এই উৎসবের আয়োজন?

উত্তরঃ হীরুর বাড়িতে উৎসবের বিপুল সমারোহ।

     চন্দ্রনাথের সহপাঠী হীরু স্কুলের সেক্রেটারির ভাইপো। নানাভাবে সেই এবার প্রথম হয়েছে। চন্দ্রনাথকে সেকেন্ড প্রাইজ দেওয়া হবে ঘোষণা করা হয়েছে। চন্দ্রনাথ সেই প্রাইজ প্রত্যাখ্যান করলেও হীরু নিজের স্কলারশিপ পাওয়ার আনন্দে প্রীতিভেজ উৎসবের আয়োজন করেছে। কাজেই হীরুর বাড়িতে যে উৎসবের বিপুল আয়োজন তা তার স্কলারশিপ পাওয়ার আনন্দের জন্যেই।


প্রশ্নঃ 'চন্দ্রনাথ একখানা চিঠি দিয়ে গেছে' - উক্তিটি কার? চন্দ্রনাথ কাকে কী চিঠি দিয়ে গেছে?

উত্তরঃ এই পঙ্গক্তিটির বক্তা হলো হীরুর।

     স্কলারশিপ পাওয়ার আনন্দে হীরু যে প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল, সেই অনুষ্ঠানে চন্দ্রনাথও নিমন্ত্রিত ছিল। কিন্তু সেই উৎসবের আগেই চন্দ্রনাথ গ্রাম ছেড়ে স্কুলে ছেড়ে চলে যায়। হীরুকে দিয়ে যায় একটি চিঠি। তাতে লেখা ছিল, হীরুর সফলতায় চন্দ্রনাথ আনন্দিত। কিন্তু সেই সাফল্যের উৎসবে সে যোগ দিতে পারছে না। একটা কথা বারবার মনে হচ্ছে। স্কলারশিপ পাওয়ার আনন্দে এই উৎসব সে না করলেই পারত। স্কলারশিপ পাওয়াটা এমন কিছু বড়ো জিনিস নয়।


প্রশ্নঃ 'ভদ্রলোক আত্মসংবরণের জন্য বিপুল প্রয়াস করিতেছেন' - কার কথা বলা হয়েছে? তার এমন আচরণের কারণ কী?

উত্তরঃ চন্দ্রনাথের দাদা নিশানাথবাবুর কথা বলা হয়েছে।

     স্কুলের সেকেন্ড প্রাইজ প্রত্যাখ্যান করে চন্দ্রনাথ হেডমাস্টারমশায়কে যে পত্রখানি লিখেছিল, চন্দ্রনাথের দাদা নিশানাথবাবু সেটিকে প্রত্যাখ্যান করতে বলেছিলেন। কিন্তু চন্দ্রনাথ তাতে রাজি হয়নি। তার যুক্তি ছিল সে কখনও সেকেন্ড হতে পারে না। হীরু স্কুলের সেক্রেটারির ভাইপো যে প্রথম হয়েছে তা তার নিজের যোগ্যতায় হয়নি। প্রথমত, স্কুলের অ্যাসিস্ট্যান্ট টিচার তার প্রাইভেট মাস্টার। যিনি তার কাছে প্রশ্নপত্র লুকিয়ে রাখেননি। আবার উত্তর বিচারের সময়ও পক্ষপাত দেখিয়েছেন। এমনকি পরীক্ষার হলে চন্দ্রনাথের খাতা থেকেই সে তিনটে অঙ্ক টুকেছিল। কাজেই কোনো ভাবেই চন্দ্রনাথ সেকেন্ড প্রাইজ গ্রহণ করবে না। হেডমাস্টারমশাইয়ের কাছে পাঠানো পত্রটিও প্রত্যাখ্যান করবে না। একথা শুনে প্রচন্ড রাগ ও উত্তেজনায় চন্দ্রনাথের দাদা ভাইকে পৃথক করে দেবার কথাও বলেন। কিন্তু তাতেও চন্দ্রনাথের কোনো ভাবান্তর না হওয়ায় নিশানাথবাবু অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। সেই জন্যেই নিশানাথবাবুর এমন আচরণ।


প্রশ্নঃ 'চন্দ্রনাথের দাদা ক্ষোভে যেন কাঁপিতেছিলেন' - চন্দ্রনাথের দাদার নাম কী? তিনি ক্ষোভে কাঁপছিলেন কেন?

উত্তরঃ চন্দ্রনাথের দাদার নাম ছিল নিশানাথবাবু।

     সেকেন্ড প্রাইজ রিফিউজ করে চন্দ্রনাথ যে পত্র লিখেছিল হেডমাস্টারমশাইকে, সেই পত্র প্রত্যাখ্যান করার কথা বলেছিলেন নিশানাথবাবু। কিন্তু চন্দ্রনাথ তাতে রাজি হয়নি। কিছুতেই সে সেকেন্ড প্রাইজ গ্রহণ করবে না বলে জানায়। এই কারণেই নিশানাথবাবু ক্ষোভ দুঃখ ও যন্ত্রণায় কাঁপছিলেন।


প্রশ্নঃ 'এইটেই আমার কাছে তার স্মৃতিচিহ্ন' - কীসের কথা বলা হয়েছে? সেটাই শেষ স্মৃতিচিহ্ন কেন?

উত্তরঃ হীরুকে লেখা চন্দ্রনাথের চিঠির কথা বলা হয়েছে।

     স্কলারশিপ পাওয়ার আনন্দে যে উৎসবের আয়োজন করেছিল হীরু তাতে চন্দ্রনাথকেও নিমন্ত্রণ করেছিল সে। কিন্তু চন্দ্রনাথ জানত নিজের যোগ্যতায় হীরু প্রথম স্কলারশিপ পায়নি। চন্দ্রনাথকেও সে এক অর্থে ঠকিয়েছে। কাজেই এই উৎসবের আয়োজন, প্রীতিভোজের নিমন্ত্রণ চন্দ্রনাথের কাছে অর্থহীন হয়ে গেছে। সেই কথা জানিয়েই চন্দ্রনাথ হীরুকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিল, স্কলারশিপ পাওয়াটাই জীবনের শেষ কথা নয়, এর জন্য উৎসবের কোনো প্রয়োজন নেই। চন্দ্রনাথের এই চিঠিটিই হীরুর কাছে তার শেষ স্মৃতিচিহ্ন। কারণ এরপরই চন্দ্রনাথ গ্রাম ছেড়ে, স্কুল ছেড়ে চলে যায়।


প্রশ্নঃ 'চন্দ্রনাথের অনুমান অক্ষরে অক্ষরে মিলিয়া গিয়াছে' - অনুমানটি কী লেখো।

উত্তরঃ স্কুলের পরীক্ষা দেওয়ার পরই চন্দ্রনাথ বুঝেছিল এবার সেক্রেটারির ভাইপো হীরুই প্রথম হবে। নিজের সেকেন্ড প্রাইজ পাওয়ার কথা যে ঘোষিত হয়ে গেছে সেকথাও শুনেছিল সে। কাজেই একটা প্রাথমিক রেজাল্টের খসড়া তৈরি করে ফেলেছিল চন্দ্রনাথ। পুরোটাই ছিল অনুমান। চন্দ্রনাথের অনুমান অনুযায়ী সে নিজে যদি সাড়ে পাঁচশো কী তার বেশি পায়, তবে স্কুলের রেজাল্টে দুটো ফেল এবং বাকি সব পাশ হবে। আর যদি তার নিজের নম্বর পাঁচশো পঁচিশের নীচে হয়, তবে দশটা ফেল হবে। আর নরেশ নিজে থার্ড ডিভিশনে পাশ করবে।


(৪) নিচের রচনাধর্মী প্রশ্নগুলির উত্তর দাওঃ


প্রশ্নঃ 'চন্দ্রনাথের আঘাতে সমস্ত স্কুলটা চঞ্চল, বিক্ষুদ্ধ হইয়া উঠিয়াছে' - চন্দ্রনাথ কে? কেন তার আঘাতে সমস্ত স্কুল চঞ্চল, বিক্ষুদ্ধ?

উত্তরঃ নরেশ ও হীরুর সহপাঠী চন্দ্রনাথ। তার দাদার নাম নিশানাথ। অত্যন্ত বলিষ্ঠ ও দৃপ্ত ও চরিত্রের অধিকারী ছিল সে। চোখের দৃষ্টি ছিল নির্ভীক। মুখশ্রীও অদ্ভুত। মোটা নাক, সামান্য চাঞ্চল্য কিংবা উত্তেজনাতেই তা ফুলে ওঠে। কিশোর বয়সেই তার চরিত্রে আশ্চার্য ব্যক্তিত্ব ছিল। সেই ব্যক্তিত্বের জোর পড়েছিল তার পড়াশোনাতেও। কোনোদিনই স্কুলের পরীক্ষায় সে প্রথম ছাড়া দ্বিতীয় হয়নি।

     চন্দ্রনাথের দৃঢ় ব্যক্তিত্বের কারণেই সমস্ত স্কুল চঞ্চল ও বিক্ষুদ্ধ। স্কুলের পরীক্ষার ফলাফল কী হবে, তা সে অনেক আগে থেকেই বলে দিতে পারে। কারণ 


প্রশ্নঃ 'কালপুরুষ নক্ষত্রের সঙ্গে চন্দ্রনাথের তুলনা আমার আনন্দ হয়' - উক্তিটি কার? কেন এমন তুলনার প্রসঙ্গ এসেছে গল্পে?

উত্তরঃ উক্তিটি চন্দ্রনাথ পাঠ্যাংশের কথক চরিত্র নরেশের।

     চন্দ্রনাথ চরিত্রের বলিষ্ঠতা, কিশোর বয়সেও তার নিজ সিদ্ধান্তে অটল থাকবার ক্ষমতা, তেজোদৃপ্ত, নির্ভীক দৃষ্টি নরেশের মনে চিরস্থায়ী ছাপ ফেলে গেছে। দীর্ঘদিনের জীবন-ইতিহাস পেরিয়ে, রাত্রিকালীন গভীরতায় মধ্যগগনচারী কালপুরুষ নক্ষত্রের বিশালাকার আকৃতির সঙ্গেই নরেশ তার তুলনা খুঁজে পেয়েছে। কালপুরুষের খড়্গধারী ভীমকায় আকৃতির দৃপ্তভঙ্গির সঙ্গে চন্দ্রনাথের উন্নত চরিত্র যেন আশ্চর্যভাবে সাদৃশ্যযুক্ত। কালপুরুষ যেমন নিজের কক্ষপথে চিরকাল আবর্তিত হয়ে চলেছে, চন্দ্রনাথও একইরকম দৃপ্তভঙ্গিতে নিজের জীবনপথে একাকী ভ্রাম্যমাণ। একটি দিনের জন্য, এক মুহূর্তের জন্য সে কখনও পিছন ফিরে চায়নি, কোথাও সামান্য বিশ্রামের প্রয়োজনও অনুভব করেনি। যাকে পাবার জন্য তার এই দৃপ্ত পথযাত্রা তাকে সে কখনও পায়নি, তবু পথচলা তার থেমেও যায়নি। কালপুরুষের সঙ্গে চন্দ্রনাথ চরিত্রের এই আশ্চর্য সাদৃশ্য লক্ষ করেই লেখক এমন তুলনা করেছেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

1 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.
  1. কোন কারণে চন্দ্রনাথের রাগ হয়েছিল?
    রেগে গিয়ে কী করল?

    উত্তরমুছুন

Top Post Ad

LightBlog

Below Post Ad

LightBlog

AdsG

close